২ টাকা ফেললেই ১ লিটার ঠান্ডা পরিশ্রুত জল

0

এটিএম বলতেই টাকা বেরোনর মেশিন ছাড়া আর কিছুই মাথায় আসে না। কার্ড ঢোকালে টাকা বেরোবে।আমাদের কাছে এটিএমের ধারনাটা অনেকটা এরকমই। কিন্তু যদি বলি এটিএমে টাকা দিলে ঠান্ডা জল পাওয়া যাবে-কাঠ ফাটা রদ্দুরে ক্লান্ত পথিকের কাছে সেটাই তখন কোটি টাকার পাওনা। এটিএমের সেই পুরনো ধারনা এবার পাল্টে ফেলুন। কারণ,সত্যিই টাকা দিলে এটিএম থেকে মিলবে জল। পুজোর ঠিক আগে আগে শহরকে এই নতুন উপহার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের।

মাত্র ২ টাকাতেই মিলবে এক লিটার বরফ শীতল পরিশ্রুত পানীয় জল। চালু হল ওয়াটার ভেন্ডিং মেশিন বা ওয়াটার এটিএম। ১৫ অক্টোবর একডালিয়া রোডে কলকাতার প্রথম ওয়াটার এটিএমটি বসানো হল। উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গের জনস্বাস্থ্য কারিগরী ও পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

পশ্চিমবঙ্গের জনস্বাস্থ্য কারিগরী দপ্তরের এই ধরনের প্রকল্প এটাই প্রথম। প্রতিদিন হাজার লিটার জল পাওয়া যাবে এই ভেন্ডিং মেশিন থেকে। পরে সেটিকে পাঁচ হাজার লিটারে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের। দুটি এক টাকার কয়েন অথবা একটি দু টাকার কয়েন দিলে ১৫ সেকেন্ডে আপনার হাতে চলে আসবে বরফ শীতল বিশুদ্ধ পানীয় জল। শুরুতে প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা করে এই পরিষেবা পাওয়া যাবে।

আসলে এই প্ল্যান্টের মধ্যে উচ্চমানের অ্যকটিভেটেড কার্বন রয়েছে যা জলকে পরিষ্কার করে স্বচ্ছ কাচের চেহারা দেয়। সেই জলকে ইউভি রে-র মধ্যে দিয়ে চালিয়ে ব্যাকটিরিয়া মুক্ত করা হয়।

বিভিন্ন স্কুলে ওয়াটার এটিএম বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে জনস্বস্থ্য কারিগরী দপ্তরের। প্রাথমিকভাবে ১০০টি স্কুলে ওয়াটার এটিএম বসবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩টি স্কুলে এই মেশিন বসানো হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার স্কুলগুলিতেও ওয়াটার এটিএম বসবে।

জনসাধারণের কাছে সাধ্যের মধ্যে শীতল পরিশ্রুত পানীয় জলের পরিষেবা দেওয়াই এই প্রকল্পের লক্ষ্য। কলকাতা শহরে এমন আরও অনেক ওয়াটার ভেন্ডিং মেশিন বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য সরকারের।