মৃগীরোগীর শঙ্কা মুক্তির হদিশ দিচ্ছে-'TJay'

0

মৃগীরোগ মানে যাকে আমরা ভালো ভাষায় সন্ন্যাসরোগ বলে থাকি কখনো কখনো তা প্রাণঘাতি রূপ নেয়। সঠিক সময়ে রোগনির্ণয় আর চিকিৎসার অভাবে এই রোগ মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কিংবা স্নায়ুতন্ত্রের অনেক স্থায়ী ক্ষতি করে। আবিষ্কার হয়েছে বহু রোগের ওষুধ আর রোগনির্ণয়ের যন্ত্রপাতি। এমনই এক মেশিন 'TJay'। এতে স্বস্তি পেয়েছেন মৃগীরোগীরা।

'TJay একটি পরিধানযোগ্য ‘smartglove’, এতে মৃগীরোগীকে ট্র্যাক করা সহজ হবে। এই মেশিনের অ্যাপলিকেশন শুধু যে মৃগীরোগীকে আপদে বিপদে সাহয্য করবে তাই নয়, এর আরও গুণ। দুর্দান্ত আবিষ্কার। মনিটরিং, ডায়াগনোসিস আর ট্রিটমেন্ট সবরকমের সাহায্য করবে ‘smartglove’। যন্ত্রের তিনপ্রকার উপাংশ, যা ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াও রোগীর দেহ থেকে সিগনাল পাঠাতে পারে। এর accelerometer আক্রান্ত রোগীর দেহের তাপমাত্রা, রক্তচলাচলের গতি এবং অন্য উপাদানের সঙ্গে সম্পর্কিত শরীরের ইলেকট্রিক্যাল কারেন্ট পরিমাপ করতে পারে। সর্বোপরি TJay এগার প্রকার শারীরিক পরিস্থিতি যেমন- তাপমাত্রা, রক্তচাপ, শ্বাসপ্রশ্বাস এসব মাপতে সক্ষম। মৃগীরোগের আক্রমণ হলেই পূর্বনির্ণীত স্বাভাবিক ডাটার সঙ্গে মাপ মিলিয়ে সিগনাল পাঠাতে থাকে TJay।

এর মধ্যে হার্ডঅয়্যার আর সফ্টঅয়্যারে উন্নত প্রযুক্তির মিলন ঘটেছে। যন্ত্রটি মৃগীরোগের অকস্মাৎ আক্রমণ গণনা করতে পারে বলেই বহু রোগী সঠিক সময়ে চিকিৎসা এবং স্থায়ী শারীরিক ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে যান। এই ডাটার ভিত্তিতে সঠিক চিকিৎসা করতে পারেন চিকিৎসক। সবচেয়ে বড় কথা, দূরের হাসপাতাল এবং ডাক্তার মৃগীরোগীর সিগনালও পাবেন। সময়মতো রোগীর চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হবে। নির্মাতা রাজলক্ষ্মী বড়ঠাকুরের ছেলে মৃগীরোগী। সঠিক সময়ে তাঁর চিকিৎসা হয়নি। তাই রাজলক্ষ্মী TJay আবিষ্কার করেছেন, যেন আর কেউ একই দুর্ভাগ্যের শিকার না হন। ইন্টেল আয়োজিত টেকনোলজি মেলায় বিশেষ সম্মান পেয়েছে এই যন্ত্র।

Related Stories