বায়ো-টয়লেট যুক্ত দূরপাল্লার বাস চালাবে কর্নাটক সরকার

1

কর্নাটকের রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের তরফে একটি অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। খুব শীঘ্রই সরকারি দূরপাল্লার বাসগুলিতে বায়ো-টয়লেট চালু করা হবে বলে রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন সূত্রে জানা গিয়েছে। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। দূরপাল্লার বাসগুলির যাত্রীদের ভি্তর এমন অনেক সওয়ারি থাকেন যাঁরা ডায়াবেটিকের রোগী। ঘনঘন বাথরুমে না গেলে তাঁদের চলে না।

রাজ্য সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্ত তাঁরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। পাশাপাশি কর্নাটকের রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন সূত্রে জানানো হয়েছে, এর জেরে আগামী কয়েক মাসের ভি্তর দূরপাল্লার বাসগুলি তুলনামূলক কম সময়ে যাত্রীদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে। সেই ধরনের ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ চালানো হচ্ছে।

বেঙ্গালুরু থেকে মাইশোর পর্যন্ত চলাচল করে রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের এমন ৫টি দূরপাল্লার বাসের যাত্রীরা বর্তমানে বায়ো-টয়লেটের সুবিধা পেয়ে থাকেন। অন্য বাসগুলিতে এখনও এ ধরনের সুযোগ নেই। ফলে যাত্রীরা অনেকেই অসুবিধার মধ্যে পড়ছেন। বিশেষত যাঁরা ডায়াবেটিকে আক্রান্ত।

জানা গিয়েছে, এ ধরনের বায়ো-টয়লেটগুলি ঠিকঠাকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করাটা জরুরি। সেটা শ্রমসাধ্য কাজও। যে কয়েকটি দূরপাল্লার বাসে এ ধরনের বায়ো-টয়লেট চালু হয়েছে, সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণেও সরকারের মোটা টাকা খরচ হয়ে থাকে। তবে বর্জ্য সংগ্রহ করে পরে যাতে তা সার হিসাবে কাজে লাগানো যেতে পারে, সে ব্যাপারেও চিন্তাভাবনা করছে রাজ্য সরকার। এক্ষেত্রে যে সমস্ত সংস্থা ওই বর্জ্য পদার্থ কিনতে আগ্রহী তাদের সঙ্গে কথাবার্তা চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

পাশাপাশি জানা গিয়েছে. ইতিমধ্যে বায়ো-টয়লেটযুক্ত দূরপাল্লার বাস চালানো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ভলভো বা মার্সিডিজের মতো সংস্থার সঙ্গে। প্রসঙ্গত, ভারতীয় রেলও সম্প্রতি বিভিন্ন ট্রেনে বায়ো-টয়লেটের সুবিধা চালু করেছে। কর্নাটক রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের আধিকারিকরা দূরপাল্লার বাসে এই ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেপরে বিষয়টি নিয়ে রেলের কর্তাদের সঙ্গে তাঁরা বৈঠকে বসেছেন বলে খবর।