বিশেষ দইয়ে সারবে আলসার, বলছেন গবেষক এনা রায় ব্যানার্জি

1

বড্ড ব্যস্ত জীবন আজকাল। সময়মতো নিয়মমাফিক খাওয়া দাওয়া দুষ্কর। তার ওপর ভেজালের ছড়াছড়ি। এই সবকিছুকে শরীরে বয়ে নিয়েই আমাদের আধুনিক বেঁচে থাকা। যে কারণে নানা অসুখ শরীরে বাসা বাঁধে। যার মধ্যে অতি পরিচিত হল আলসার। কিন্তু বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজের গবেষক এনা রায় ব্যানার্জি জানাচ্ছেন, আলসার আটকানোর ওষুধ তৈরি করে ফেলেছেন তিনি। আর সেটা কিনা দই! চলুন শোনা যাক।

পেটের অসুখে কাবু হন না এমন মানুষ পাওয়া খুবই কঠিন। পেটের অসুখ বলে অবহেলাও করেন অনেকেই। সময়মতো ডাক্তার দেখান না আর সেই অসুখ বাড়তে বাড়তে অনেক সময় তা আলসারে পরিণত হয়। পরিনতি অস্ত্রোপচার। কিন্তু এবার থেকে আর আলসার কিম্বা হার্নিয়ার মতো অসুখের জন্য আর অস্ত্রোপচার করতে হবে না। তার ফর্মুলাই তৈরি করেছেন বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজের গবেষক অধ্যাপিকা এনা রায়। আলসার আটকাতে দাওয়াই দই। তবে তা তৈরি হবে একটু অন্য ভাবে। বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজের গবেষণাগারে তৈরি হয়েছে সেই ফর্মুলা ।

‘ঠিক সময়ে খাওয়া না হলে আলসার অবধারিত। তাছাড়া ভেজাল খেয়ে আমাদের হজমশক্তিও প্রায় তলানিতে। ব্যাকটিরিয়া গণ্ডগোল করে বলেই যন্ত্রণা। অনেক সময়ই কোনও চিকিৎসা থাকে না।শেষমেষ অস্ত্রোপচার। যেখানে পচন, সেটা বাদ দিতে হয়। ডিফেন্স বা প্রতিরক্ষায় যারা চাকরি করেন তাদের আর কাজে ফেরার কোনও সুযোগ থাকে না। সেই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিতে পারে আমাদের গবেষণাগারে তৈরি এই ফর্মুলা’, বিস্তারিত বোঝান গবেষক এনা রায় ব্যানার্জি।

আলসার, হার্নিয়া হওয়ার পরে কিম্বা এই রোগ প্রতিরোধ করার জন্য এই বিশেষ ফর্মুলায় তৈরি দই, ছানার জল শরীরের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী বলে দাবি গবেষকের। তাহলে বাজারে মিলবে কীভাবে?এনা জানান, কলকাতার বিখ্যাত মিষ্টির দোকান কে সি দাসের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজ। গবেষণাগারে তৈরি ফর্মুলায় দই, ছানার জল এবং চ্যাবনপ্রাসের মতো প্রোডাক্ট তৈরি করে সেগুলি বাজারে নিয়ে আস হচ্ছে। এমন জিনিস হাতে পেয়ে খুশি কে সি দাস অধিকর্তা ধীমান দাসও। ‘সত্যিই যদি মানুষের উপকার হয়, তাহলে এই দই, দইয়ের জলের ভালো চাহিদা হবে’, আশাবাদী ধীমানবাবু। 

Related Stories