বিজ্ঞাপনের বাজারে ৩০০ কোটি ডলারে খেলছে ‘ক্রি’

বিজ্ঞাপন জগতে সফল প্রচারের উদ্যোগ নেয় ‘ক্রি’। ২০০৮ সালে ‘ক্রি’ প্রতিষ্ঠা করেন উপকার এস.শর্মা। কিন্তু ‘ক্রি’ ছাড়া অন্যান্য কোম্পানি এই ব্যবসায় লাভ দেখছে খুবই কম।

0

হিন্দিতে কাহাবত আছে ‘যো দিখতা হ্যায় ও বিকতা হ্যায়’।অর্থ্যাৎ যা দেখা যায় তাই বিক্রি করা যায়।এই মূলমন্ত্র নিয়েই উপকার এস.শর্মা বিজ্ঞাপনের জগতে তৈরি করেছে ‘ক্রি’ নামক সংস্থাটিকে।কোনও পণ্যদ্রব্য কিংবা কোম্পানি লোকসমক্ষে আনতে গেলে সবার আগে দরকার তার সফল প্রচার। বিজ্ঞাপন জগতে এই সফল প্রচারের উদ্যোগই নেয় ‘ক্রি’।


‘ক্রি’-র মাস্টারমাইন্ড উপকার এস.শর্মা
‘ক্রি’-র মাস্টারমাইন্ড উপকার এস.শর্মা

এই ‘ক্রি’-র মাস্টারমাইন্ড উপকার এস.শর্মা ২০০৮ সালে তাঁর কাজ শুরু করেন। কোনও কোম্পানি কিংবা ব্র্যান্ডকে প্রচারের জন্য সেরা অস্ত্রটি সবক্ষেত্রে ব্যবহার করতেন। যেমন, কোনও উপহার কিংবা পুরস্কার দেওয়ার মাধ্যমে, আবার ব্যান্ডের লোগো লাগানো পোশাক ব্যবহার করে। উপকার জানিয়েছেন, তাঁর এই সফল ব্যবসার বুদ্ধির জোরেই কসমেটিক্সই হোক, কিংবা হোটেল বা ফিটনেস কোম্পানি, সবক্ষেত্রেই ‘ক্রি’র সাফল্য আকাশছোঁয়া।


উপকারের মতে, এই ব্যবসায় লগ্নি করাটা খুব বড় ব্যাপার নয়। খুব সামান্য টাকায় ছোটখাটো কোম্পানির প্রচারের কাজে হাত দেওয়াই যায়, কিন্তু সমস্যা হল টিকে থাকা। যার জন্য ৩০০ কোটি ডলারের ব্যবসায় অন্তর্ভুক্তি হওয়া সত্ত্বেও মুখ থুবড়ে পরে ‘ক্রি’-র মতো অনেক কোম্পানিই। পরিকাঠামোর অভাবই এর জন্য দায়ী। উপকার জানিয়েছেন, ‘ক্রি’ প্রথমেই কোনও কোম্পানিকে প্রচারের জন্য বিশাল লগ্নির দাবি করে না। বরং তাঁদের কাজটা আগে দেখতে বলেন। কোনও কোম্পানির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলাটা খুব জরুরি। উপকারের মতে, আলোচনায় টাকা লাগে না, খরচ হয় চিন্তাভাবনাকে কাজে পরিণত করতে। তাঁর এই নীতির ফলেই বছর বছর কোম্পানির লাভ ঊর্ধ্বমুখী। বর্তমানে ‘ক্রি’ কাজ করছে ‘গুগল’, ‘পার্নড রিকার্ড’, ‘লরিয়েল’, ‘রিতজ কার্লটন হোটেলস’, ‘পিৎজা হাট’, ‘ভেরো মোদা’, ‘জ্যাক জোনস’, ‘কোহিনূর ফুডস’-এর মতো কোম্পানির সঙ্গে।

এই ব্যবসায় প্রতিযোগিতা রয়েছে যথেষ্ট। অনেক ছোটখাটো ব্যবসাদার রয়েছেন, যাঁরা অত্যন্ত কম টাকায় এই ব্যবসায় নেমেছেন, যার জন্য সুশৃঙ্খল ব্যবস্থারও অভাব রয়ে যায়। ‘ক্রি’-র মতোই এই ব্যবসায় অন্যান্য বড় কোম্পানিগুলি হল ‘ই যন্ত্র’, ‘ডলফিন ডিস্প্লেস’, ‘ব্যান্ডস্টিক’।