কিভাবে লেখাপড়ায় এগোলো ফিনল্যান্ড?

0

পড়াশোনার জগতে ম্যাজিক করেছে ফিনল্যান্ড সরকার। কিছুদিন আগেও এই দেশে শিক্ষার মান ছিল সাব স্টান্ডার্ড। আজকে শিক্ষার গুণগত মানে ফিনল্যান্ড পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ স্থানে। এখানকার ছাত্ররা এখন ভীষণ বুদ্ধিদীপ্ত আর জগত সেরা। কি করে হল এই যাদু? চলুন সেই গল্পই বলি তাহলে।

সিস্টেমের মধ্যে কি এমন পরিবর্তন যা আমূল বদলে দিল পরিস্থিতি? ফিনল্যান্ড ষোলো বছরের কম বাচ্চাদের নিয়ে সম্ভাব্য সবরকমের পরীক্ষা করেছে। তারা হোমওয়ার্ক বাতিল করেছে। তাদের সমীক্ষা এও বলছে সাত বছরের আগে স্কুলিং শুরু করা মানে শিশুদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা। শিক্ষাজীবনের প্রথম ছয় বছরে অ্যাকাডেমিক সাফল্যের কথা মাথায় রাখলে চলবে না। স্কুল একটি শিশুর যোগ্যতা মাপার স্থান নয়। স্কুল হল এমন স্থান যেখানে বাচ্চা লিখতে পড়তে শেখে। তার প্যাশানের জায়গাটাকে চিনতে শেখে।

২০১১ সালে Dr. Sahlberg ছিলেন তৎকালীন শিক্ষা দপ্তর অধিকর্তা। তিনি Finland’s Lutheran leanings-এ, শিক্ষায় ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে অধিকারের ওপর জোর দেন। ১৯৫৭ সালে গৃহীত একটি সিদ্ধান্তে দৃষ্টিপাত করেন। সব বিদেশী চ্যানেলের সাবটাইটেলে দেখানো হয় এই সাফল্যের কাহিনীর চাবিকাঠী। তিনি দাবি করেন ফিনল্যান্ডের সফলতার আসল রহস্য লুকিয়ে আছে ৭ থেকে ১৬ বছরের প্রাথমিক শিক্ষার ভিতর। ৯৫ শতাংশ দেশবাসী এই সময় উচ্চবিদ্যালয়ে যোগদান করেন। শিক্ষার উচিত সবার আগে সমাজে সমতা আনার হাতিয়ার হয়ে ওঠা। ফিনল্যান্ড গ্লোবাল এডুকেশন রিফর্ম মুভমেন্টের জোয়ারে গা ভাসাতে রাজি নয়, যা কিনা দাঁড়িয়ে আছে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের পাঠ্যক্রম, যোগ্যতার লড়াই, পরীক্ষা আর সফল কেরিয়ার গড়ে তোলার ইঁদুর দৌড়ে ভর করে।

২০১২ অবধি ফিনল্যান্ড ওয়ার্ল্ড এডুকেশন সিস্টেমে টপে ছিল। যদিও দক্ষিণ কোরিয়া ওই স্থান কেড়ে নেবার পর ফিনল্যান্ড এইমুহূর্তে পঞ্চমে। স্থানচ্যূত হলেও এই দেশের শিক্ষাপদ্ধতি অবশ্যই অনুকরণীয়।