ব্লুমের বিনিয়োগে প্রাণ পায় স্টার্টআপ

0


প্রথম দিককার প্রযুক্তি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অন্যতম ব্লুম ভেঞ্চার দ্বিতীয় ফান্ডের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ তুলেছে। ফান্ড টু টার্গেট ৬০ মিলিয়ন ডলারের প্রায় অর্ধেক রাস্তা পার করে দিয়েছে এই বিনিয়োগ। ফান্ড তোলার এই রাউন্ডটার নেতৃত্ব দেয় আইকনিক ক্যাপিটাল, যা এর পুরনো সাপোর্টার IIFLWealth এবং গভর্নমেন্টস ইন্ডিয়া অ্যাসপিরেশন ফান্ড এবং SIDBI এর অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সঙ্গে জুড়ে কাজ করে। জুলাইয়ে SIDBI ঘেষণা করে, ২০০০ কোটির একটি ফান্ড স্টার্টআপগুলির জন্য তুলে রাখা হয়েছে।

কার্তিক রেড্ডি এবং সঞ্জয় নাথের উদ্যোগে ২০১০ এ ব্লুম ভেঞ্চার পথ চলা শুরু করে। ২০১১ দেশের বাজারে ফান্ড ওয়ান লঞ্চ করে। সংস্থার একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘ব্লুমের লক্ষ্য ফাউন্ডার নির্ভর অ্যাপ্রোচ এবং একটা ব্র্যান্ড যা বিশ্বাস এবং ভারসাম্য রাখে। যার ফলে উদ্যোক্তা এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে তালমিল থাকে’।

২০১১য় শুরু পর থেকে ব্লুম অন্তত ৭৫টি স্টার্টআপকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে এবং এটাই করে যেতে চায়, জানাচ্ছে সংস্থার সূত্র। ফান্ড ইনভেস্টমেন্ট সাইকেলে একসঙ্গে ৩৫-৪৫টি বিনিয়োগ করতে চায় ব্লুম। সংস্থার তালিকায় রয়েছে গ্রে অরেঞ্জ রোবোটিকস, জুপার পার্পেল, নাও ফ্লোটস এবং সাম্প্রতিক সংযুক্তি ট্যাক্সিফরসিওর, জিপডায়েল এবং প্রমটেক। ব্লুম দেশীয় সংস্থা, এসএমই-তে বিনিয়োগ করবে এবং তার বিশ্বাস বজায় থাকবে ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং শক্তির ওপর। ফান্ড টুর জন্য ব্লুমের দ্বিতীয় এবং শেষ ধাপ বিনিয়োগ খুব তাড়াতাড়ি ২০১৬য় শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

গত কয়েকবছরে ভারতে স্টার্টআপের সংখ্যা হু হু করে বেড়েছে। এটাই নজর কেড়েছে সারা বিশ্বের। বিভিন্ন সেক্টেরের বৃদ্ধিও চোখে পড়ার মতো। ফলে ভারতীয় এবং বিদেশি বিনিয়োগও যথেষ্ট হয়েছে স্টার্টআপগুলিতে। ভারতীয় মোবাইল স্টার্টআপগুলিকে পথ দেখাতে গুগুল ইকুইটি ফ্রি স্টার্টআপ প্রোগ্রাম ঘোষণা করেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন, সফটব্যাঙ্ক, সেকুয়া ক্যাপিটাল এবং টাইগার গ্লোবাল বিভিন্ন ভারতীয় স্টার্টআপে বিনিয়োগ করেছে। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলিও চেষ্টা করছে তহবিল থেকে স্টার্টআপগুলিকে সাহায্য করার। জুলাইয়ে কেন্দ্রের বাজেটে ১০,০০০ কোটি টাকা স্টার্টআপ ফান্ড বরাদ্দ হয়। তার বেশি অবশ্য এগোয়নি কিছু। সরকারের উদ্যোগে গড়িমসি থাকায় স্টার্টআপগুলি বেসরকারি এঞ্জেল এবং ভিসি ফান্ডের ওপর নির্ভর করে। মূলত স্টার্টআপদের মেন্টর হওয়ায় ট্র্যাকরেকর্ড যাদের রয়েছে তাদের উপরই ভরসা রাখে। চোখ-কান খোলা রেখে সেক্টরের দিকে নজর রাখা জরুরি। ২০১৬য় আবার ফিরবে ব্লুম ভেঞ্চার।

লেখক-হরষিত মাল্য

অনুবাদ-তিয়াসা বিশ্বাস