কীভাবে আরও দক্ষ কর্মী হবেন ?

0

আমাদের সারাক্ষণই কোনও না কোনও ধরনের কাজের মধ্যে থাকতে হয়। সে পেশাদার কাজ হতে পারে। কিংবা ব্যক্তিগত কাজ। অনেক সময় কাজের পাহাড় দেখে আমরা সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ি। বড় অসহায় লাগে। ভাবি কীভাবে শেষ করব এত কাজ!

এজন্যে কাজের আগে কিছু কৌশল তৈরি করে নিলে আখেরে কিন্তু লাভই হয়। তাতে কাজের চাপটা সামলানো যায়। কাজ নিয়ে বিস্তর উদ্বেগ থেকেও মু্ক্তি মেলে। সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হল, একটা রুটিন মেনে চলা। সেই অনুযায়ী কোন কাজ আগে, কোন কাজগুলো পরে করা যাবে – তাও ঠিকঠাক করে নেওয়া দরকার। এমনকি কর্মক্ষেত্রে যখন আপনাকে চাপের ভিতর কর্মভার নামাতে হবে, সেইসময় এভাবে আরও পরিকল্পিত হয়ে উঠতে পারেন।

কিন্তু কীভাবে এই কৌশলকে কার্যকরী করা সম্ভব, সে সম্পর্কে গোটাকতক টিপস দেওয়া হল –

শক্তিশালী কাজ

হাতের ছোট কাজগুলি করার আগে সবচেয়ে বড় বা দায়িত্বের যে কাজটা হাতে জমে আছে, সেটা সেরে ফেলুন। তাতে অনেক ধরনের মানসিক ভার থেকে রেহাই পাবেন। ভারি কাজটা সবার আগে করে ফেলাই উচিত। বড় কাজটি লাঘব হয়ে গেলে তারপরে অন্য কাজে হাত লাগান।

সময় ঠিক করুন

প্রত্যেকদিন নিশ্চয়ই আপনাকে কী কী কাজ, কতটা কাজ করতে হবে এর একটি মাপ থাকে। মানে মোট কতটা কাজ আপনার সেদিনের বরাদ্দ। সবচেয়ে ভালো হচ্ছে দিনের কাজগুলির কোনটা কখন, কোন সময়ে করতে পারেন – তা সময় মেপে আগেভাগে একটু ছকে নিন। ওই রুটিনটা এবার মনোযোগের সঙ্গে অনুসরণ করুন। তবে কখনও যদি আপনার আনুমানিক সময়ের ভিতর হাতের কাজটা না শেষ হল, তাহলেও উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। অযথা, টেনশন করবেন না। যেটা দরকার তা হল সুশৃঙ্খলা। তাহলেই সব সামলে নেওয়া যায়।

গুরুত্ব অনুযায়ী কাজ

কাজে নিবিষ্ট হওয়ার অর্থ ওই কাজটি ঠিকঠাকভাবে করার সবচেয়ে ভালো অস্ত্র। নিবিষ্ট হওয়া মানে ধরে নিতে পারেন যে, কাজটির ফলাফলও বেশ ভালোই হতে চলে্ছে।

কাজ ভাঙুন

কাজ অনেক সময় ভাগে ভাগে করা হয়। একটা বড় কাজের ক্ষেত্রে এভাবে ভেঙে ভেঙে কাজ করলে সেটা শেষ করতে আখেরে সুবিধা হয়। কাজের প্রয়োজনে আপনি অন্যের কাছে দরকারি সহায়তা চাইতে পারেন। এতে পেশাদারি ক্ষেত্রে সহকর্মীদের সঙ্গে আপনার সুস্থ সম্পর্ক ও দলীয় স্পিরিটটাও শক্তপোক্ত হয়।