আগামী বছরের মধ্যেই আরও দশ শহরে আসতে চলেছে পণ্যবাহী বাণিজ্যিক গাড়ির সংস্থা পোর্টার

0

পোর্টার হল এমন একটি সংস্থা যারা গ্রাহকদের সঙ্গে পণ্যবাহী বাণিজ্যিক গাড়ির যোগাযোগ করিয়ে দিয়ে থাকেন এবং তাঁরা আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ১০ টি শহরে তাদের পরিষেবা সম্প্রসারণের কথা ঘোষণা করেছেন। ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন প্রণব গোয়েল, উত্তম দিগগা এবং বিকাশ চৌধুরী নামক তিন আইআইটিয়ান। বর্তমানে মুম্বাই, দিল্লী, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ ও চেন্নাই শহরে পোর্টারের শাখা রয়েছে এবং অতি সম্প্রতি তাঁরা হায়দ্রাবাদেও তাঁদের পরিষেবা চালু করার কথা ঘোষণা করেছেন।

বর্তমানে হায়দ্রাবাদে পোর্টারের অধীনে প্রায় ২০০ টি পণ্যবাহী বাণিজ্যিক গাড়ি রয়েছে যারা প্রতিদিন প্রায় ৪০০ টি ট্রিপ করে থাকে। আগামী তিন মাসে গাড়ির সংখ্যা বেড়ে ৫০০ হবে বলে আশা এবং যার ফলে ট্রিপের সংখ্যা বেড়ে হবে অন্তত ১৫০০। কোম্পানি সূত্রে জানা গেল যে হায়দ্রাবাদে তাঁদের অধীনে রয়েছে এস ও সুপার এস ক্যাটাগরির গাড়ি। পোর্টারের সিইও এবং যুগ্ম-প্রতিষ্ঠাতা প্রণব গোয়েল বললেন, “আমাদের প্রযুক্তি নির্ভর পরিষেবা সরবরাহ ব্যবস্থা কে করে তোলে আরো কার্যকরী ও দক্ষ, যা আমাদের সঙ্গে যুক্ত অপারেটরদেরকে মানোন্নয়নে সহায়তা করে।”

কোম্পানিটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানা গেল যে, পোর্টারের মাধ্যমে ড্রাইভাররা আরও ব্যাপক সংখ্যক গ্রাহকদের কাছে পৌঁছতে পারে ও তাদের গাড়ির ব্যবহারও বৃদ্ধি পায়, এবং এর ফলে ড্রাইভারদের আয়ের সুযোগও অনেকটাই বেড়ে যায়। নির্ভরযোগ্য ও উন্নতমানের পরিষেবা দানের লক্ষ্যে পোর্টারের পক্ষ থেকে ড্রাইভারদের ব্যাপক ট্রেনিং দেওয়া হয় এবং ভেহিকেল অডিট সহ বিশেষ ড্রাইভার ভেরিফিকেশান করা হয় বলেও তাঁরা জানিয়েছেন। সারা ভারত জুড়ে পোর্টারের প্রায় ১৫০০ টি গাড়ি রয়েছে যারা প্রতিদিন ৩০০০ ট্রিপ করে থাকে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে কোম্পানির বর্তমান গ্রাহকদের মধ্যে রয়েছে আইটিসি, গোদ্রেজ ও রিলায়েন্সের মত সংস্থা এবং আগামী বছরের মাঝামাঝির মধ্যে তাঁরা আরও দশটি শহরে এই পরিষেবা চালু করবেন বলে আশা। “পোর্টারের কাস্টমার মোবাইল অ্যাপ্লিকেশান গ্রাহক ও পণ্যবাহী বাণিজ্যিক গাড়ির মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে দিয়ে থাকে, যা ব্যবহারকারীদের কাছে একটি সম্পূর্ণ অন্যরকম অভিজ্ঞতা। এই অ্যাপের মাধ্যমে এক আঙুলের ছোঁয়ায় পাওয়া যাবে নিকটবর্তী ব্যবহারযোগ্য গাড়ির হদিশ ও নিকটবর্তী গাড়ি পৌঁছনোর আনুমানিক সময় (estimated time of arrival) ইত্যাদি নানা প্রয়োজনীয় খবরাখবর। ট্রিপ বুকিং হয়ে যাওয়া মাত্র গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যায় নানা প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন ড্রাইভারের নাম, গাড়ির নম্বর ইত্যাদি। আর এর ফলে গ্রাহকরা তাঁদের প্রেরিত পণ্য কে রিয়াল টাইমে ট্র্যাক করতে পারেন,” বিবৃতিটির থেকে জানা গেল।  

মূল স্টোরি- PTI অনুবাদ- শঙ্খশুভ্র গাঙ্গুলি