তফসিলি জাতি-উপজাতিদের পুঁজি যোগাবে মুদ্রা যোজনা

0

সবকা সাথ, সবকা বিকাশ। ক্ষমতায় আসার আগে এটাই ছিল নরেন্দ্র মোদির স্লোগান। ক্ষমতায় আসার পর মোদি সরকারের মূল লক্ষ্য দাঁড়ায় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, মুদ্রা যোজনায় ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের ৫০,০০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে। দিল্লিতে দলিত ব্যবসায়ীদের এক সভায় তিনি বলেন, ‘এই স্কিম থেকে ৮০,০০০ ঋণ গ্রহীতা লাভবান হয়েছেন। এই স্কিমে ৫০,০০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ দেওয়া হয়েছে তফসিলি উপজাতি এবং মহিলা উদ্যোক্তাদের। এদের প্রত্যেকেই ছোট ব্যবসায়ী এবং এদের মাধ্যমে ১৪ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে’।

তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জাতীয় সভায় শিল্পায়ন এবং উদ্যোগ নিয়ে বি আর আম্বেদকেরর ভাবনার কথা জানাতে গিয়ে মোদি বলেন, আগে তফশিলি জাতি-উপজাতি উদ্যোক্তাদের ব্যাঙ্ক থেকে লোন পেতে কালঘাম ছুটে যেত। প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনায় ছোটছোট উদ্যোক্তাদের ৫০,০০০ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন দেওয়া হয়।

‘আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সরকারের লক্ষ্যের মূলে রয়েছে। এর উদ্দেশ্যই হচ্ছে চাকরিদাতা তৈরি করা, চাকরিপ্রার্থী নয়’, তিনি বলেন। একইসঙ্গে তাঁর সংযোজন, একটা পিরামিডের ভরসা তার ভিত। এবং ভিতে যে সব লোকের বাস তাদের ক্ষমতায়ন প্রয়োজন,যাতে ভারতীয় অর্থনীতিকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দিতে পারে। বাবাসাহেব আম্বেদকরের অবদানের প্রসঙ্গে টেনে এনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি শুধু সংবিধানের রচয়িতাই ছিলেন না, একজন অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদও। ‘বাবাসাহেব ঠিকই বলেছিলেন, একমাত্র শিল্পই পারে আমাদের দলিত ভাইবোনদের সবচেয়ে বেশি সুযোগ দিতে’, মোদির পর্যবেক্ষণ। তফশিলি জাতি-উপজাতিদের ব্যবসা করার সুযোগ করে দিতে সরকার ২০০ কোটি টাকার ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড তৈরি করেছে। ইতিমধ্যে ১৪৪ কোটি দেওয়াও হয়ে গিয়েছে। ‘আমাদের সরকার মানে আপনার সরকার। আমরা আপনাদের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করছি’, বলেন মোদি।