আনন্দই একমাত্র সাফল্যের মাপকাঠি হোক এই বার্তা দিয়েই শুরু হল #tsparks

2
শুরু হয়ে গেল টেক স্পার্কস ২০১৬। বেঙ্গালুরুর তাজ ভিভান্তায় সকাল দশটা নাগাদ শুরু হল মূল টেক স্পার্কস। এর আগে গোটা দেশ জুড়ে বিভিন্ন শহরে টেক স্পার্কসের টিজার ইভেন্ট হয়েছে কয়েক হাজার স্টার্টআপ সংস্থার কর্ণধার এবং উদ্যোগপতি সেই ইভেন্টসগুলিতে অংশগ্রহণ করেছেন। কিন্তু মূল পর্বের টেক স্পার্কস শুরু হল ৩০ সেপ্টেম্বর।

উদ্বোধনী ভাষণে ইওরস্টোরির প্রধান সম্পাদক এবং প্রতিষ্ঠাত্রী শ্রদ্ধা শর্মা বলেন উদ্যোগপতিদের সাফল্যের মাপকাঠি কী হওয়া উচিত? ফান্ডিং? নাকি আনন্দ? যেন স্টার্টআপের বিশ্বটা দুটো খণ্ডে ভাগ করা। একটা খণ্ড হল ফান্ড পাওয়া স্টার্টআপদের আরেকটি খণ্ডে রয়েছেন ফান্ড না পাওয়া স্টার্টআপ সংস্থাগুলি। ফান্ড পেলে কাজের সুবিধে হয় ঠিকই কিন্তু সেই কাটার মুকুটের লোভে কাজের আর মনের আনন্দটাই মাটি হয়। আবার যারা ফান্ড পাননি তারা জুলজুল করে তাকিয়ে থাকেন ফান্ডিং সংস্থার দিকে। হা পিত্যেশ... যেন কখন তোমার বাজবে টেলিফোন গোছের একটা অনন্ত প্রতীক্ষা। ভিভান্তার সভা ঘরে উপস্থিত কয়েকশ উদ্যোগপতিকে সরাসরি প্রশ্ন করলেন শ্রদ্ধা। আপনি কাকে সাফল্য বলেন? স্তব্ধ সভাঘর। সাফল্যের সংজ্ঞাটা স্থির করে দিলেন শ্রদ্ধাই।

মাতৃভাষা হিন্দিতেই আওড়ালেন চারটি লাইন,

ডর মুঝে ভি লগা ফাসলা দেখ কর
পর ম্যাঁয় বড়তা গ্যায়া রাস্তা দেখ কর
খুদ বা খুদ মেরে নজদিক আতি গয়ি
মেরে মঞ্জিল, মেরা হৌসলা দেখ কর...
(যার নিহীত অর্থ: ভয় পেলে হবে না। এগিয়ে যেতে হবে। আর তাহলেই আপনা আপনি গন্তব্য চলে আসবে আপনার কাছে। আপনার আত্মবিশ্বাস আর সাহস দেখে।) বললেন, আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করুন উদ্যোগের অভিযাত্রা।

এভাবেই শুরু হল বেঙ্গালুরুর টেক স্পার্কস। প‌্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কর্নাটকের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে।