রাজারহাটে মাইনাস টেন ডিগ্রি সেলসিয়াস

1

বাইরে কখনও রোদ কখনও মুষল ধারে বৃষ্টি। আপনি কি এখন একটু মাইনাস দশ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ঘুরে আসতে চান? তাহলে চলুন অ্যাক্সিস মলে। রাজারহাটের এই মলেই পাবেন সাইবেরিয়ার বরফ। সুইজারল্যান্ডের হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডা। চারপাশে বরফের গুহা, ইগলু, পাইন গাছ, বরফে ঢাকা পাহাড়। শহরের প্রথম স্নো পার্ক! প্রায় ৯ হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে। বিশাল পার্ক। বরফে ফুটবল খেলার ছোট একটা মাঠ আছে। ব্যাডমিন্টন কোট রয়েছে। স্লাইডিং, স্লিপার, স্নোম্যান, আইফেল টাওয়ার। আর আছে কলকাতার একমাত্র লেসার আইস ডিস্কো। এসব ভালো না লাগলে স্রেফ বরফের কুচি নিয়ে তাল পাকিয়ে ছুড়তে পারেন ইচ্ছেমত। এন্টারটেইনমেন্ট আনলিমিটেড নামে একটি সংস্থা দুর্গাপুর এবং কলকাতাতে এমন বিনোদনের ব্যবস্থা করেছে। স্নো পার্ক মানে শুধু বরফ আর বরফ! কখনও উঠছে তুষারঝড়, আবার কখনও তুষারপাত। সব মিলিয়ে বাইরের গরম বা বৃষ্টি সবকিছুকে সরিয়ে রেখে একেবারে বরফের দেশে চলে যাওয়ার সুবন্দোবস্ত। ‘বাইরের তাপমাত্রা যাই থাকুক এই পার্কের তাপমাত্রা থাকবে -১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস! যখন তুষার ঝড় কিংবা তুষারপাত ঘটবে সেই সময় পার্কের মধ্যেকার তাপমাত্রা পৌঁছে যাবে -১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে! নেহাত তুষার ঝড়ের অনুভূতি নয় তার চেয়েও বেশি আরও বেশি কিছু পাবেন আপনি৷ বলছিলেন সংস্থার কর্ণধার সুনীল আগরওয়াল। প্রতিদিন সকাল ১১ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত খোলা। এই পার্কে ঢুকতে গলিয়ে নিতে হবে বিশেষ পোশাক আর জুতো। না হলে পা পিছলে আলুর দম হওয়ার সম্ভাবনা কম নয়। নিরাপত্তা নিয়ে ভাবার কারণ নেই। ১৬ জন ক্রু মেম্বার সবসময় পার্কে চক্কর কাটছে। ফার্স্টএইড, চিকিৎসক, নার্স তৈরি। পরিবার নিয়ে বিন্দাস মজা করতেই পারেন। খরচ মাথাপিছু ৪৯৯ টাকা! খিদে পেলে খাবারও পাবেন এই পার্কে।