জোড়-বিজোড়ের গেরোয় দিল্লির ভরসা ওলা-উবের

0

জোড়-বিজোড়ের পাল্লায় পড়ে বিকল্পের পথ খুঁজছেন দিল্লির যাত্রীরা। নিয়মের ফাঁসে পড়ে যেদিনগুলিতে নিজের গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বেরোন যাচ্ছে না সেদিন অ্যাপ নির্ভর ক্যাব পরিষেবার দিকে ঝুঁকছেন বেশিরভাগ যাত্রী।

দূষণ কমাতে পয়লা জানুয়ারি থেকে রাজধানীতে নয়া নিয়ম চালু করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার। একদিন জোড় এবং অন্যদিন বিজোড় সংখ্যার নম্বর প্লেটের গাড়ি বেরোবে রাস্তায়। নিয়মের জালে আটকে প্রায় অর্ধেক গাড়ি রাস্তা থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে। গন্তব্যে পৌঁছতে তাই অ্যাপ নির্ভর ক্যাব সার্ভিসই ভরসা দিল্লির যাত্রীদের জন্য। শাটল এবং কারপুলিং, দুই ভাবে পরিষেবা দিচ্ছে এই ক্যাবগুলি। যাত্রীর ভিড় সামলাতে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের গোড়ায় দিল্লির পরিবহনমন্ত্রী গোপাল রাই ‘পুছ’ নামে একটি অ্যাপ চালু করেছেন, যার মাধ্যমে যাত্রীরা অটোরিকশা বা ট্যাক্সি ডেকে নিতে পারেন।

‘ইতিমধ্যে ভালো সাড়া পাওয়া গিয়েছে। আগামী দিনে পরিষেবা আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছি। কোটি কোটি ভারতীয়র যাতায়াত যাতে নির্বিঘ্ন হয় তার জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি, মিশন পূরণে কারপুল, ওলা শেয়ার, ওলা শাটল দীর্ঘ পথ পাড়ি দেবে। জানি, চাহিদা অনেক। আমরা তার জন্য তৈরিও’, দাবি ওলার এক মুখপাত্রের।

মার্কিন ট্যাক্সি সংস্থা উবেরের ড্রাইভার-কমিউটার সার্ভিস এবং উবের রাইডার সার্ভিসের কাটতি একলাফে অনেকটাই বেড়েছে। ‘সকাল ৭ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত উবেরের ট্যাক্সি মিলবে। অনেকে আবার কার পুল সার্ভিসের জন্যও উবের নেয়। গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আমরা ৩০ শতাংশ কম চার্জে রাইডার সার্ভিসের জন্য গাড়ি দিই। কোনও যাত্রী নিজের জন্য গাড়ি নিতে পারে, সেক্ষেত্রে বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখে নেওয়া হয়’, বলছিলেন উবেরর মুখপাত্র রুচিকা তোমর।

যাত্রীদের অভিযোগ, প্রয়োজনের সময় ভাড়া বাড়িয়ে দেয় ক্যাবগুলি।রাস্তার ভি়ড় কমাতে সরকারি এবং বেসরকারি পরিবহনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, বলছিলেন মেরু ক্যাবের সিইও সিদ্ধার্থ পাওয়া। দিল্লির জোড়-বিজোড় নিয়মের সঙ্গে মেরুর কারপুল এবং রাইশেয়ার, সব মিলিয়ে রাজধানীর মানুষের যাত্রা অনেক বেশি নিরাপদ এবং সহজ হবে বলে জানান তিনি।

অনুবাদ-তিয়াসা বিশ্বাস