ওমিক্স ল্যাবের লক্ষ্যই জনস্বাস্থ্য

0

২০১৪ সাল থেকে বায়োটেক নিয়ে কাজ চালাচ্ছে ওমিক্স ল্যাব। ব্যাঙ্গালুরুর বায়োইনকিউবেশন সেন্টারে বর্তমানে ইনকিউবেশনে রয়েছে ওমিক্স ল্যাব। জানা গিয়েছে, সংস্থার প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে সকলেই বায়োটেক বিশেষজ্ঞ। এক-একজনের কাজের অভিজ্ঞতা অন্ততপক্ষে ২০ বছরের।

ওমিক্স ল্যাব সূত্রে জানানো হয়েছে, সংস্থার প্রতিষ্ঠাতাদের কাজের ক্ষেত্র ছিল বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থা। ওঁরা প্রধানত গছেবেষণা সংক্রান্ত কাজের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ। ক্লিনিক্যাল ডায়গনোসিসের আধুনিক প্রয়োগগুলি নিয়ে ওমিক্স ল্যাব কাজ করছে। বিশেষত সংক্রমণের ক্ষেত্রে ক্লিনিক্যাল ডায়াগনোসিস নিয়ে কাজ করছে ওমিক্স ল্যাব। এছাড়া, ডিএনএ পরীক্ষাও করা হয়ে থাকে নাগালে থাকা অর্থের বিনিময়ে।

আপনার শরীরে কী পরিমাণ গ্লুকোজ রয়েছে, তা পরীক্ষা করার জন্যে ওমিক্স ল্যাব বের করেছে গ্লুকোমিটার ডিভাইস। এই ডিভাইসের সাহায্য পরীক্ষাটি আপনি বাড়িতেই সেরে নিতে পারবেন। এছাড়া, ওমিক্স ল্যাব বাজারে এনে্ছে এমন ধরনের ডিএনএ অ্যানালিস্ট যা স্মার্টফোনের মাধ্যমে করা যেতে পারে। এই সুবিধাগুলি নিয়ে আপনি রুটিনমাফিক সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাগুলি করাতে পারবেন।

এই প্রকল্পগুলিতে সাফল্য লাভ করার পরে সম্প্রতি আরও কয়েকটি নতুন উদ্যোগ নিতে চলেছে ওমিক্স ল্যাব। যেমন, ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রক্তে ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইট খুঁজে বের করা যাবে। এজন্যেও একটি ডিভাইস বাজারে আনা হচ্ছে। এছাড়াও প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ছোট ক্লিনিকগুলিতে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট সংক্রমণের ক্ষেত্রে ডিটেকশন ডিভাইস ও অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল রে্জিস্ট্যান্স মাপতে আনা হয়েছে আর একটি ডিভাইস। শরীরে কী পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিক আছে, এটি তা মেপে দেবে।