কর্নাটকই পথ দেখাচ্ছে বলছেন সিদ্দারামাইয়া

0

সরকারি উদ্যোগে বিনিয়োগ টানার ম্যাজিক শো দেখল বেঙ্গালুরু। তিন আর চার দুদিনের ইভেন্টে চোখ ছানাবড়া করার মতো বিনিয়োগ টানল কর্নাটক। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার পজেটিভ নোটই ছিল এই দুদিনের ইভেন্টের মূল ফোকাস।সবিনয় অসুবিধের কথা স্বীকার করলেন। শেয়ার করলেন এগিয়ে যাওয়ার সাকসেস স্টোরি। শিল্পবান্ধব এই তকমা নতুন করে পাওয়ার ছিল না। দেশের একনম্বর স্টার্টআপ ডেস্টিনেশন কর্নাটক এবার দুনম্বর বেঙ্গালুরুর সন্ধান করছে। খুঁজছে এমন কোনও নতুন গ্রিনফিল্ড যেখানে তৈরি হবে নতুন হাব। ইতিমধ্যেই বেঙ্গালুরু এবং বাকি রাজ্যের আভ্যন্তরীণ পরিকাঠামোগত আর ট্রাফিক সমস্যা মিটিয়ে ফেলবে রাজ্য সরকার। অন্তত এমনটাই দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

‘Invest Karnataka 2016’ এর মঞ্চে সব উদ্যোগপতি,অ্যাম্বাসাডর আর ডেলিগেটসরা গ্লোবাল বিনিয়োগকারীদের কর্ণাটকের দিকে টেনে আনতে ব্যস্ত ছিলেন। বাণিজ্যে নতুনত্ব আর পরিবর্তনের প্লাবন এসেছে এই রাজ্যে। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার মতে, কর্ণাটকই দেশের ভবিষ্যৎ। এই রাজ্যের স্টার্টআপ আর অ্যান্ত্রেপ্রেনিওরদের কথা বলতে গিয়ে তিনি মনে করিয়ে দিলেন বেঙ্গালুরুর দৃষ্টান্ত। তিনি আরও বললেন এই শহরের স্টার্টআপরা অন্য সব রাজ্য আর শহরের জন্য দৃষ্টান্ত। সরকার শুরুয়াতি ব্যবসায়ীদের সবরকমের সাহায্য করবে এমনই আশ্বাস দিলেন তিনি। ব্যবসায়িক পরিবেশ বিকশিত হওয়ার জন্য এই রাজ্যের সরকার চিরকাল কোমল নীতির পক্ষপাতী। বেঙ্গালুরুর আভ্যন্তরীণ পরিকাঠামোর আরও উন্নতি এবং ট্রাফিক গোলযোগ কাটিয়ে ওঠার প্রসঙ্গে তিনি রাজ্য সরকারের নজর আর তৎপরতার কথা জানান।

কেন্দ্রীয় রাসায়নিক সার মন্ত্রী আনন্ত কুমার রাজ্যে একটি ১৩ লক্ষ মেট্রিক টন রাসায়নিক সার বানানোর কারখানা স্থাপনের ঘোষণা করেন। এইসময়ে কর্ণাটক নজিরবিহীন প্রগতির সাক্ষী। প্রাথমিক ফোকাসটা আইটি সেক্টর এবং বেঙ্গালুরুর দিকে থাকলেও এখন Mangaluru, Hubli, Udupi, Belgaum, Mysuru আর অন্যান্য ছোট শহরের দিকেও তাকিয়ে আছেন সিদ্দারামাইয়া সরকার। দ্রুত প্রগতিশীল এইসব ছোট শহরগুলির মধ্যে বেঙ্গালুরুর এলিমেন্ট খুঁজছেন ওঁরা। Invest Karnataka 2016 এর পরে কৃষিজাত শিল্প আর কলকারখানার উন্নয়ন আরও সুনিশ্চিত হল বলে মনে করছে রাজ্য সরকার।