ভারতের অনাবিষ্কৃত শৃঙ্গ জয়ের নেশায় বুঁদ অর্জুন-ভূপেশ

0

সামিট মানেই কী এভারেস্ট অথবা অল্পসের চূড়া ? সামিট মানেই কি নামের পেছনে ছোটা ? মানতে নারাজ দুই তরুণ। একজন নয়ডার অন্যজন বুলন্দশরের। চ্যালেঞ্জ বলতে ওদের দুজনের চোখের সামনে ভাসে হাজার হাজার মিটারের উঁচু শৃঙ্গ। অর্জুন বাজপেয়ী এবং ভূপেশ কুমার। সম্প্রতি হিমাচলের স্পিটি উপত্যাকায় গিয়ে ৬,১৮০ মিটার উঁচু অনাবিষ্কৃত শৃঙ্গ জয় করে আসেন। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের সম্মানে শৃঙ্গের নাম রাখেন মাউন্ট কালাম।

২২ বছরের অর্জুন নয়ডার বাসিন্দা। ২০১০ সালে এভারেস্টে চড়ে সামিটের তালিকায় সবচেয়ে কম বয়েসী তৃতীয় ভারতীয় হিসেবে নাম নথিভুক্ত করেন। ভূপেশ কুমার উত্তপ্রদেশের বুলন্দশরের বাসিন্দা। ১৭টি চূড়া জয়ের কৃতিত্ব ইতিমধ্যে ভূপেশের তালিকায় জুড়ে গিয়েছে। শৃঙ্গে চড়ার নেশায় বুঁদ এই দুই তরুণ নতুন ভেঞ্চার শুরু করলেন। পৌঁছে যেতে চান ভারতের নানা অনাবিষ্কৃত সব শৃঙ্গের শীর্ষ বিন্দুতে।

অর্জুনের দাবি, ভারতে তিনশোর বেশি অনাবিষ্কৃত শৃঙ্গ রয়েছে। সবকটাই ৬ হাজার ফুটের বেশি। তাঁর বিশ্বাস, অনাবিষ্কৃত এই শৃঙ্গ জয়ের যে লক্ষ্য তাঁরা নিয়েছেন সেটাই আরও তরুণ পর্বতারোহীদের উৎসাহিত করবে। ‘পর্বতারোহণের ক্ষেত্রে সবাই মোটামুটি নামী শৃঙ্গে ওঠার জন্য বেশি উৎসাহিত থাকেন। তাঁরা জানেন না এখনও কত লুকিয়ে থাকা রেঞ্জ রয়ে গিয়েছে আমাদের দেশের মধ্যেই। আমরা দুই বন্ধু ঠিক করেছি এখনও কারও পা পড়েনি তেমন শৃঙ্গগুলিতে সামিট করবো’, ডিএনএ-কে বলেন তিনি।

টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অর্জুন বলেন, ‘গভীর বরফ, লুকোনো খাঁজ, অজানা পাথরের স্তুপ, সব মিলিয়ে এই শৃঙ্গগুলি জয় করা তুলনামূলকভাবে বেশি চ্যলেঞ্জের। অত ঠান্ডায় সামিট করা কতটা চ্যালেঞ্জের না গেলে বোঝা যাবে না। আমরা সাফল্যের সঙ্গে উতরে গিয়েছি’। হিমাচল প্রদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম হিমবাহ বারা শিগরি হিমবাহের কাছে অর্জুনদের জয় করা সেই শৃঙ্গ এখন মাউন্ট কালাম নামেই পরিচিত।

অনুবাদ-তিয়াসা বিশ্বাস