মু সিগমার অম্বিগা ধীরজ

0

মহিলারা কি সাফল্যের সিঁড়ির ওপর তলায় কতকটা সংখ্যালঘু? ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্খা, পেশাগত লক্ষ্য, আর সামাজিক বাধা কি আশা আর প্রাপ্তির মাঝে ফাঁক তৈরি করছে? নিচের ভিডিওতে মু সিগমার অম্বিগা ধীরজ বলছেন তাঁর নিজের কিছু অভিজ্ঞতার কথা। (ভিডিও-র কথোপকথন নিচে পড়ার জন্য দেওয়া হল। )

মহিলা ইঞ্জিনিয়ার

মহিলা ইঞ্জিনিয়ারদেরকে সিনিয়রের ভূমিকায় নেওয়ার মতো করে গড়ে তোলাটা কী সহজ কাজ? বর্তমান যুগে প্রাথমিক স্তরের মহিলা ইঞ্জিনিয়ার এবং স্ট্যাটিসটিসিয়ান খুঁজে পাওয়া যায় সহজেই, কিন্তু কখনও কখনও দেখা যায় তারা বয়স বাড়ার সঙ্গে, নিজেদের কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছেন। সেটা তাদের ব্যক্তিগত সমস্যার জন্য। আমরা চেষ্টা করছি এমন একটা পরিবেশ তৈরি করার, যেখানে তারা স্বচ্ছন্দে নিজের কাজ চালিয়ে যেতে পারেন, আমরা ক্রমাগত ভেবে চলছি, ব্যক্তি জীবন এবং কর্মজীবনকে কীভাবে সুসংহতভাবে মিলিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু, যতই ওপরের দিকে ওঠা যায়, মহিলাদের সংখ্যা ততই কমতে থাকে।

এটা হতে পারে কারণ, ব্যক্তিগত বিষয়গুলি বেশি গুরুত্ব পায়। দ্বিতীয়ত, কেরিয়ারের দিক থেকে উচ্চাকাঙ্ক্ষাগুলো আর এক্ষেত্রে থাকে না। সমাজ এই ব্যাপারে কোনও চাপ সৃষ্টি করে না। একজন পুরুষ যখন তাঁর কেরিয়ারের উন্নতি করতে পারেন না, তখন সামাজিক দিক থেকে তাঁর ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। তখন একজন মহিলা যখন এটা পারেন না, তখন সেটা কোনও বিষয় হিসাবে ধরা হয় না।

এটা কি কোনও খারাপ ব্যাপার? আমার জানা নেই। পরিবারের প্রতি খেয়াল রাখার মধ্যে একটা আশ্চর্য শান্তি আছে। আমার মনে হয় না কেরিয়ারের উন্নতিই শেষ কথা, পরবর্তী প্রজন্মকে মূল্যবোধ তৈরি করাটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কিন্তু কেউ যদি প্রকৃতই তাঁর কেরিয়ার সম্পর্কে সচেতন এবং উৎসাহী হন, তাহলে কোনও কিছুই তার পথ আটকাতে পারবে না।

মু সিগমার লক্ষ্য

আমরা সর্ববৃহৎ কোম্পানি হয়ে উঠতে চাই। আমরা চাই প্রত্যেক কাস্টমারের মধ্যে যেন একটু করে মু সিগমা থাকে যাতে তারা নিজেদের সমস্যাগুলোকে আরও ভালভাবে সমাধান করতে পারবেন এবং ভারতে আবিষ্কারের বিশেষ ক্ষেত্র তৈরি করতে পারেন।ভারত কেবলমাত্র ব্যবহারকারীদের দেশ না হয়ে আবিষ্কারকদের ভূমিকাও নেওয়া উচিত।

স্বামী-স্ত্রী একটা টিম হিসাবে

আমার কাছে আচরণ কোনও বিষয় নয়। উদ্দেশ্যটাই আসল ব্যাপার। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের মধ্যে বিরোধ বাধে। কিন্তু একটা বিশ্বাস থাকে যে, আমরা একই খেলার সঙ্গী এবং আমাদের লক্ষ্যটাও এক।

পরামর্শ

আমি বলব, জীবন যদি তোমার হাতে লেবু ধরিয়ে দেয়, তাহলে তা থেকে তুমি লেমনেড বানাও। প্রতিবার যখন একটি করে সমস্যা আসে, আমি নিজেকে বলি, এটাকে আমার সুযোগ হিসাবে নেওয়া উচিত। আগুনটাকে জ্বালিয়ে রাখ। আমার মনে হয় না, আমাদের এমন ভাবা উচিত যে আমি সংখ্যালঘু, কারণ ‌আমি একজন মহিলা। নিজের অনুপ্রেরণাকে বজায় রাখ।

পরবর্তী পাঁচ বছর

আমরা আশা রাখি আরও নতুন কাস্টমারের, নতুন নতুন প্রোডাক্ট আনার এবং কেবলমাত্র আমেরিকায় নয়, আরও অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। এক্ষেত্রে আমরা কিছু সাফল্য পেতে শুরু করেছি। ক্লায়েন্টদের মধ্যে আমনরা আরও নতুনত্ব আনার চেষ্টা করছি।

আইপিও

এটা প্রচলিত। কিন্তু বর্তমানে এটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। আমি বলব, ভাল কাজ করতে থাক। আমার কাছে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।