স্বাস্থ্য় জগতে তিন কাণ্ডারি কন্যা

0

ভারতের স্বাস্থ্য় জগতের বিভিন্ন সংস্থার নেতৃত্বে রয়েছেন

কিরণ মজুমদার সাউ, চেয়ারম্যান ও প্রধান অধিকর্তা, বায়োকন লিমিটেড

কিরণ মজুমদার সাউ
কিরণ মজুমদার সাউ

কিরণ মজুমদার সাউ, বায়োকন লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও প্রধান অধিকর্তা পদে একজন সুদক্ষ প্রশাসক হিসাবে কাজ করছেন। টাইম ম্যাগাজিন বিশ্বের প্রথম সারির একশ জন প্রভাবশালী ও সম্মানীয় মহিলার তালিকায় তাঁর নাম রেখেছে। সম্প্রতি ইকোনমিক্স টাইমস তাঁকে ২০১২ সালের ভারতের সেরা সিইও-র সম্মান দিয়েছে। বায়োটেকনোলজির জগতে তার অবদান ভারত তথা বিশ্বের দরবারে স্বীকৃতি পেয়েছে।

শ্রীমতি সাউ বায়োটেকনোলজির কাজে কর্নাটকের ভিশন গ্রুপ ও আয়ারল্যান্ডের বোর্ড অফ সায়েন্সের সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি সরকারি ক্ষেত্রে বায়োটেকনোলজির কাজে উপদেষ্টা হিসাবে এক ছাদের তলায় সরকার, শিল্পক্ষেত্র ও শিক্ষাক্ষেত্রকে নিয়ে এসেছিলেন। এছাড়াও তিনি ভারতের শিল্পক্ষেত্র ও আমেরিকার সিইও ফোরামের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

শ্রীমতি সাউ ভারতের স্বশাসিত সংস্থা ফারমাকোপিয়া কমিশন ও ইউনিয়ন কমার্স মন্ত্রালয়ের সদস্য এবং জাতীয় সরকারি নীতি কমিশনের সদস্য হিসাবে কাজ করেছেন। এছাড়াও তিনি দিল্লির প্রতিযোগিতা কমিশনের সম্মানীয় সদস্য ও ইউএসসি ভিটারবি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের উপদেষ্টা পর্ষদের সদস্য। তিনি আমেরিকার ন্যাশনাল সোসাইটির সাম্মানিক পদে আসীন।

শ্রীমতি সাউ “ইন্সটিটিউট ফর স্টেম সেল বয়োলজি এন্ড রিজেনেরেটিভ মেডিসিন”-এর মুখ্য প্রতিষ্ঠাতা। শিল্প ও বানিজ্য মন্ত্রালয়ের সদস্য হিসাবেও তিনি মনোনীত হয়েছেন। বিশ্ব উপদেষ্টা কমিটির “নারী ও সবুজায়নের প্রচার” এর কাজে তিনি এনজিও, সরকার ও নারীদের সামিল করে পরিবেশবান্ধব অর্থনীতিকে উন্নত করতে সচেষ্ট হয়েছেন।

শ্রীমতি সাউ ২০০৯ সালে আঞ্চলিক উন্নয়নের জন্য নিক্কেই এশিয়া পুরস্কার ও গতিশীলতার জন্য এক্সপ্রেস ফার্মাসিউটক্যাল লিডারশিপ সামিট পুরস্কার পেয়েছেন। এর পাশাপাশি ইকনমিক্ টাইমস তাঁকে বছরের সেরা মহিলা ব্যবসায়ী হিসাবে ঘোষণা করেছে। এছাড়াও তিনি এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অল্প বয়সী উদ্যোগী হিসাবে বিশ্বের দরবারে স্বীকৃতি পেয়েছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হল ১৯৮৯ সালে পদ্মশ্রী ও ২০০৫ সালে পদ্মভূষণ পুরস্কার।

শ্রীমতি সাউ ১৯৭৩ সালে ব্যাঙ্গালোর থেকে প্রাণীবিদ্যাতে স্নাতক ও ১৯৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়া থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। উনি ২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বার্ল্লাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োটেকনলজি তে সাম্মানিক উপাধি লাভ করেন। এর পাশাপাশি তিনি ২০০৭ সালে ইংল্যান্ডের ডান্ডি থেকে, ২০০৮ সালে গ্লাসগো থেকে ও এডিনবার্গ থেকে এবং সম্প্রতি ২০১২ সালে আয়ারল্যান্ড থেকে সাম্মানিক ডিগ্রি পেয়েছেন।

তাঁর দায়িত্বে বায়োকন ১৯৭৮-এ তার উদ্ভবের সময়ের একটি উৎসেচক সংস্থা থেকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বায়োফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থায় পরিণত হয়েছে। এই সংস্থার ব্যবসার মধ্যে সুষম পণ্য ও কার্য রয়েছে। এদের গবেষণার প্রধান বিষয় ডায়াবেটিস, অনকোলজি ও স্বয়ং অনাক্রম্য রোগ। এই রূপান্তরের সময় বায়োকন তার দুটি অধীনস্থ সংস্থার সৃষ্টি করেছে - আবিষ্কারের গবেষণায় উন্নয়নের সাহায্য করতে সিঞ্জিন (১৯৯৪) ও চিকিৎসা সম্পর্কিত বিষয়ে সাহায্যের জন্য ক্লিনিজিনি (২০০০)।

আমেরিকার “মেড অ্যাড নিউজ” নামক শীর্ষক পত্রিকা তে ২০০৭/০৮ সালে বায়োকন কে ২০টি শীর্ষ কোম্পানীর তালিকায় রাখা হয়েছে ও বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম সংস্থা ঘোষণা করা হয়েছে এবং ২০০৯ সালে সেরা কোম্পানী র জন্য বায়ো সিঙ্গাপুর এশিয়া প্যাসেফিক পুরস্কার পেয়েছে।

ডাঃ পৃথা রেড্ডি, প্রধান অধিকর্তা, অ্যাপোলো হস্‌পিটাল এন্টারপ্রাইস লিমিটেড

ডাঃ পৃথা রেড্ডি
ডাঃ পৃথা রেড্ডি

ডাঃ পৃথা রেড্ডি, তাঁর পিতা প্রদীপ সি রেড্ডির দ্বারা গভীর ভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। শ্রীমতি রেড্ডি অ্যাপোলো হাসপাতালের প্রধান অধিকর্তা হিসাবে কাজ করছেন। তাঁর বাবা প্রদীপ সি রেড্ডি ১৯৮৯ সালে অ্যাপোলো হাসপাতালে যোগদান করেন। পরবর্তী ৫ বছরে তিনি ওই গোষ্ঠীর ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে উন্নীত হন। বর্তমানে এশিয়া তথা বিশ্বের দরবারে অ্যাপোলো হাসপাতাল একটি শক্তিশালী জায়গায় রয়েছে।

পারিবারিক ও প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র হিসাবে ভারতের শহরাঞ্চলে ও প্রান্তিক শহরাঞ্চলে অ্যাপোলো হাসপাতাল বেশ ভাল পরিষেবা প্রদান করছে, ১৯৮৩ সাল থেকে প্রায় ৩০ কোটি জনগণের ভরসা লাভ করেছে।

শ্রীমতি পৃথা রেড্ডি অ্যাপোলো হাসপাতাল গোষ্ঠীর কার্যভার সামলান। তিনি ডাক্তারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন। সমসাময়িক নিয়ম প্রনয়ন করে চিকিৎসার ফলাফলে ক্রমাগত উন্নতি করতে। তিনি অনুদানের অর্থ কে সঠিক ভাবে প্রকল্পের কাজে ব্যবহার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা করেন, কার্যক্ষেত্রের গুনমান বজাই রাখার জন্য তিনি সর্বদা সচেষ্ট থাকেন।

ভারতে মোবাইলের ক্রমবর্ধমান ব্যাবহার- একটি উদ্দেশ্য নিয়ে পৃথা অ্যাপোলো হাসপাতালসের সঙ্গে একটি টেলিকমিউনিকেশন সংস্থার চুক্তি করেন। তিনি মোবাইলের সাহায্যে সমগ্র ভারতের কোটি কোটি মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতাকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন। ২০০৯ সালে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিং তাঁকে ভারত- আমেরিকা ও ভারত- মালেশিয়া সিইও ফোরামে যোগদানের আহ্বান জানান। ডাঃ পৃথা রেড্ডিকে ৫০ জন আন্তর্জাতিক সফল নারীর তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ২০০৬ সাল পর্যন্ত নিয়মিত তাঁকে বিজনেস টু’ডের তালিকাতে লক্ষ্য করা যেত।

পৃথা জাতীয় গুনমান সংস্থার মুখ্য প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। এই সংস্থা ভারতের হাসপাতালগুলিকে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রদান করে। পাশাপাশি তিনি উইপ্রোর সঙ্গেও যুক্ত। তিনি জীবনব্যপী পুরস্কারও পেয়েছেন।

যে সকল দূর্ভাগ্যজনক বাচ্চারা হৃদয় ঘটিত রোগে ভুগছে, তাদের চিকিৎসার জন্য ডাঃ পৃথা “সাচি”(SACHi)নামক একটি সংস্থা গড়ে তুলেছেন। এর সাহায্যে প্রায় ৫০০০ বাচ্চার অপারেশন ও ৫০ হাজার বাচ্চার চিকিৎসা হয়েছে।

অ্যাপোলো হাসপাতালসের প্রবেশ দ্বারে টিলসি মন্ত্রা যে পিলারটি রয়েছে তাও ডাঃ পৃথা রেড্ডির মস্তিষ্কপ্রসূত। তিনি স্টেইলা মেরিস কলেজ থেকে বিএসসি পাশ করে ও মাদ্রাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে এমএ পাশ করেন। তামিলনাড়ুর ডাঃ এমজিআর মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে সাম্মানিক ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি চেন্নাই এর কলাক্ষেত্র থেকে শিল্পচর্চাও করেছেন, যা পরবর্তী কালে সংস্কৃতি জগতে সাহায্য করেছে। ডাঃ পৃথা রেড্ডি বিবাহিত ও দুই সন্তানের মা।

ডাঃ স্বাতী পিরামল, ভাইস চেয়ারপার্সন

ডাঃ স্বাতী পিরামল, ভারতের শীর্ষ বিজ্ঞানী ও শিল্পপতি দের মধ্যে একজন, যিনি বর্তমানে স্বাস্থ্য সচেতনতার ক্ষেত্রে ভাইস চেয়ারপার্সন হিসাবে কর্মরত। তাঁর আবিষ্কৃত নতুন ওষুধে হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। ডাঃ পিরামল ১৯৫৬ সালে মার্চ মাসে জন্মগ্রহণ করেন, ১৯৮০ সালে মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডাক্তারি পাশ করেন। তিনি হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী। ১৯৯২ সাল থেকে তিনি সমগ্র বিশ্বের মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন এবং এখনো কাজ করছেন।

ক্যান্সার গবেষনাকারী বিজ্ঞানীরা ডাঃ পিরামলের নেতৃত্বে কাজ করছেন। এই কাজে ২০০ জন মানুষের উপর ১৪ টি ঔষধ প্রয়োগ করেছন। পিরামল এন্টারপ্রাইজ বিশ্বের সেরা ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানী, যারা ১০০ টির বেশী দেশে ওষুধ যোগান দিচ্ছে, তার পাশাপাশি তারা দু’দশক ধরে ডায়াবেটিস, আর্থারাইটিস এর মতো রোগের চিকিৎসার গবেষণা করছেন। তিনি মুম্ব‌ইয়ে গোপীকৃষ্ণা পিরামল হাসপাতাল স্থাপন করে সেখানে জনস্বাস্থ্য প্রচারের ব্যবস্থা করেছেন। খেলোয়াড়দের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যাবস্থা করেছেন, এছাড়াও তিনি কুষ্ঠ, টিবি, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি রোগের বিরুদ্ধে প্রচার করছেন।

পিরামল ফাউন্ডেশন আন্তঃ-বিভাগীয় ও ক্ষেত্রভিত্তিক শিক্ষায় নিমগ্ন। তার অধিকর্তা হিসাবে ডঃ স্বাতী পিরামল এইচ.এম.আর.আই-এর সঙ্গে গ্রাম্য ভারতে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্রতী।

এইচ.এম.আর.আই একটি ভ্রাম্যমান স্বাস্থ্য শিবির চালায়, নারীর অধিকারের প্রকল্প নেয় এবং সামাজিক শিক্ষায় অগ্রাধিকার দেয় যা যুবনেতার সৃষ্টি করে। তিনি পরিষ্কার জলের প্রয়োজনে সৃষ্ট সর্বজল সংস্থারও অধিকর্তা। এর মাধ্যমে তিনি মহিলা নেতৃত্বের পক্ষে অপরিমেয় অবদান রেখেছেন। ডঃ স্বাতী পিরামল গত ৯০ বছরে ভারতীয় অ্যাপেক্স চেম্বার অব কমার্স বা অ্যাসোচেম-এর প্রথম মহিলা সভাপতি। সর্বসাধারণের জন্য বহু নীতি প্রনয়ন ও নিয়ন্ত্রণে তিনি সাহায্য করেন। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জননীতির ওপর তাঁর প্রভাবের ফলে তিনি সেই নীতিতে বহু পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেন, যা রোগের বোঝা কমাতে সাহায্য করেছে।

ডঃ পিরামল বর্তমানে হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেল্‌থ ও হার্ভার্ড বিসনেস স্কুলের পরিচালন কমিটির পরামর্শদাতা হিসাবে আছেন। তিনি স্বাস্থ্য, আর্থিক কাজকর্ম, উৎপাদন ইত্যাদি সংস্থাতে বোর্ড কমিটির সদস্যা। এছাড়াও তিনি ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক শিক্ষালয় সমূহ, যেমন আই.আই.টি. বম্বে, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইউ-পেন ইত্যাদির নিয়ামক বোর্ডেরও অঙ্গ। ডঃ স্বাতী পিরামল সরকারের ব্যবসা, পরিকল্পনা, পরিবেশ, শিল্প, নারীদের স্বাবলম্বী করার প্রকল্প, জাতীয় ঐক্য এবং আঞ্চলিক উন্নয়নের জন্য জননীতি প্রনয়ণের কমিটিরও অঙ্গ। তিনি ১৯৯২-এ হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেল্‌থ-এর প্রবর্তন বক্তা ছিলেন।

২০১২ সালের এপ্রিল মাসে ডঃ পিরামল ভারতের রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পদ্মশ্রী পুরষ্কার পান। তার পরের মাসে তিনি হার্ভার্ড-এর উপদর্শকের বোর্ডে নির্বাচিত হন। এছাড়াও ডঃ স্বাতী হার্ভার্ডের প্রাক্তনীদের সর্বোচ্চ সম্মান অ্যালুমনি মেরিট অ্যাওয়ার্ড পান সেপ্টেম্বর ২০১২তে এবং নেতৃত্ব ও পরোপকারের জন্য ২০১২-র অক্টোবরে চির্ল্ডেন্স হোপ ইন্ডিয়ার থেকে লোটাস অ্যাওয়ার্ড পান নিউ ইয়র্কে। ডঃ পিরামল ২০০৬ সালে ওষুধ ও ব্যবসার জন্য ফ্রান্সের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্মান শ্যেভেলিয়র দ এল’অর্দার ন্যাশানাল দু মেরিতে-ও (নাইট অব দ্য অর্ডার অব মেরিট) পেয়েছেন। রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন থেকে অসাধারণ নারী, যিনি জীবনে কিছু অর্জন করেছেন, এই সম্মান তিনি পান ২০০৭ সালে। এছাড়াও ২০০৮ জাতীয় প্রযুক্তি দিবসে তিনি বিশিষ্ট বিজ্ঞানী বক্তার পুরস্কার পান।

বিনিতা গুপ্ত, সি-ই-ও, লুপিন ফার্মাসিউটিকাল্‌স্‌

শ্রীমতি বিনিতা গুপ্ত মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মাসিতে স্নাতক হন এবং জে এল কেলোগ গ্রাজুয়েট স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট থেকে এমবিএ করেন। তিনি ইউএসএ এবং ইউরোপে লুপিন-এর অ্যাডভান্সড মার্কেটস্‌ এর শীর্ষে আছেন এবং তাঁর হাত ধরেই লুপিন উন্নত বাজারে এগিয়ে চলেছে। তাঁর নেতৃত্বে লুপিন বিশ্বব্যাপী সংস্থাতে পরিণত হয়েছে, বিশেষত আমেরিকার বাজারে। এছাড়াও শিশুরোগ চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ের বিশেষ শ্রেণির পণ্যের বাজারে তারা এক শক্তিমান সংস্থা হিসাবে উদ্ভুত হয়েছে। বিনিতা গুপ্ত অফিসিয়াল লুপিন লিমিটেড অন দ্য বোর্ড অব লুপিন লিমিটেডেরও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সি-ই-ও।

এই বিশিষ্ট মহিলারা কেবলমাত্র ভারতীয় ফার্মা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেই কেবল নানান দিক নিয়ন্ত্রণ করছেন এমন নয়, তাঁরা সারা বিশ্বেই নেতৃত্বের বিশেষ নিদর্শন রেখে চলেছেন। আমরা আগামী দিনেও এই শাখায় এমনই আরও তারকাকে দেখার আশা রাখি।

Related Stories