ব্যবসায়ীদের অ-আ-ক-খ শেখান জেসিকা

0

কী ভাবে ভালো ব্যবসা করবেন? একজন ভালো ব্যবসায়ী হওয়ার সেই রাস্তাটাই বাতলে দেন জেসিকা ট্যাঞ্জেলদার। অ্যামস্টারডামে কাজ করে আসার পর এবার বেঙ্গালুরুতে ব্যবসার অ-আ-ক-খ শেখাচ্ছেন তিনি।


জেসিকা জানিয়েছেন, নিজের সিদ্ধান্তের ওপর কখনো সন্দেহ করা উচিত নয়, আবার নিজেকে বাদ দিয়ে অন্যকে বিচার করাটাও ঠিক নয়। তাতে একজন ব্যবসায়ী নিজের লক্ষ্য থেকে ভ্রষ্ট হয়ে যান। একজন ব্যবসায়ীর উচিৎ সবসময় নিজের কাজের এলাকাকে বড় করে তোলা। যতখানি পারা যায়, লোকের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করে তোলা। ঠিক এটাই নতুন ব্যবসায়ীদের শেখান জেসিকা। তাঁদের মনকে প্রস্তুত করা, যাতে বাজারে তাঁদের উন্নতি এবং লক্ষ্য পূরণ দুটোই হতে পারে। বিভিন্ন ওয়ার্কশপ করা হয়। মানুষের সঙ্গে এই সব ব্যবসায়ীদের আলোচনার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। এতে মানুষের চাহিদাটাও সামনে আসে এবং কী ধরনের কাজ করলে সাধারণকে সন্তুষ্ট রাখা যাবে, সেটাও বুঝতে পারেন নব্য ব্যবসায়ীরা। এই জেসিকারই মুখোমুখি ইয়োরস্টোরি...


ইয়োরস্টোরিঃ সান ফ্রানসিস্কো, ভারত, অ্যামস্টারডম... কী পার্থক্য দেখলেন?

জেসিকাঃ এখানে আমি দেড় বছর ধরে আছি। অন্যান্য জায়গার তুলনায় এখানে আমি অনেক বেশি কাজ করেছি। কিন্তু এখানে ব্যবসায়ীরা অনেক বেশি সংযত। যার জন্য তাঁদের পরিচিতির জায়গাটিও অনেক ছোট। স্কুল, কলেজ কিংবা পরিবারের মধ্যেই তাঁরা কাজ করেন। এর বাইরে গিয়ে কাজ না করতে পারলে সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনাও কম। এমন নয় যে, এঁদের প্রতিভা নেই, আসলে এঁদের সঠিক জায়গা দেখিয়ে দেওয়ার লোকের অভাব রয়েছে।

ইয়োরস্টোরিঃ কোন জিনিসটা তাহলে ঠিকঠাক কাজ করছে না?

জেসিকাঃ আসলে সকলেই নিজেদের পরিচিতির মধ্যে কাজ করতে চায়। কিন্তু এই পরিচিতির গন্ডি পেরনোটা সবার আগে দরকার। সমস্যার সম্মুখীন না হলে সমস্যা বোঝাও যায় না। পরিচিতির গণ্ডিতে আটকে থাকলে অনেক সময় বিভিন্ন অসুবিধার সময় অসহায় লাগে।


ইয়োরস্টোরিঃ আর মহিলা ব্যবসায়ী?

জেসিকাঃ আগে নিশ্চিত হওয়া দরকার সমাজের অসাম্যই কী মহিলা ব্যবসায়ীর সংখ্যা কম হওয়ার কারণ? আমাদের আগে গভীরে গিয়ে অসাম্যের চিত্রটা ভালো করে পর্যবেক্ষণ করা উচিৎ। আমরা মহিলাদের নানা ভাবে উৎসাহ দিই, কীভাবে তাঁরা একজন ভালো ব্যবসায়ী হয়ে উঠতে পারেন।

জেসিকার মতে, সব কিছু ভালো করে পর্যবেক্ষণ করা উচিৎ। একজন শিশুর মত সব কিছু জানার আকাঙ্ক্ষা রাখতে হবে। নতুন মানুষদের সঙ্গে দেখা করুন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে যাতে নিজের কাজের পরিবেশকে আরও স্বচ্ছন্দ করে তোলা যায়। এতে ব্যক্তি হিসেবেও আপনি সব জায়গায় যোগ্য হয়ে উঠতে পারবেন।


লেখক-তনভি দূবে

অনুলেখক-চন্দ্রশেখর চ্যাটার্জী