অনলাইনে ‘ইমেজ মেকওভার’ করে এখন স্টাইল গুরু প্রিয়া

প্রিয়া ওয়াঘ’এর উদ্যোগে ‘ম্যাভেনচিক’ অনলাইনে নিয়ে এসেছে ‘ইমেজ মেকওভারের’ পদ্ধতি। ফ্যাশনের এই নতুন পদ্ধতিকে সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজটি করছেন প্রিয়া। ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পাশ করলেও ফ্যাশনই তাঁর দুনিয়া।

0

বুঝে উঠতে পারছেন না কী ভাবে নিজেকে সাজিয়ে তুলবেন? দরকার পরিপূর্ণ একটা ‘ইমেজ মেকওভার’? কিন্তু হাতে সময় নেই? তাহলে আর চিন্তা না করে সরাসরি যোগাযোগ করুন ‘ম্যাভেনচিক’-এর সঙ্গে। অনলাইনেই আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এক নিমেষে। সেখানে আপনাকে সাহায্য করতে বসে রয়েছেন ৩০ জন সেরা বিশেষজ্ঞ।


প্রিয়া ওয়াঘ’এর ‘ম্যাভেনচিক’ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে অভিনব প্রক্রিয়ায় এই ‘ইমেজ মেকওভারের’ পদ্ধতি। ‘ম্যাভেনচিক’-এর ডিরেক্টর এবং সহপ্রতিষ্ঠাতা প্রিয়া আসলে ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিয়ারিং এবং ম্যানেজমেন্টের ছাত্রী ছিলেন। কিন্তু ফ্যাশন নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করাতেই তাঁর আনন্দ ছিল বেশি। কী করে নিজেকে সুন্দর রাখা যায়, কী ভাবে যে কোনও বয়সের মহিলাকে সাজিয়ে তোলা যায়, তাই নিয়েই চিন্তাভাবনা চলত অহরহ। প্রিয়ার মতে, প্রত্যেককে যে গ্ল্যামারাস হতে হবে তার কোনও মানে নেই। প্রত্যেক মহিলার মধ্যে একটা আলাদা সৌন্দর্য থাকে। সেটাকেই বের করে আনতে হবে। সেই সঙ্গে ঐ মহিলারও দরকার নিজের ওপর বিশ্বাস এবং জীবনে সবসময় আনন্দে থাকা। যাতে ‘ইমেজ মেকওভার’ চমৎকার ভাবে মানিয়ে যায় তাঁকে।

প্রায় ছ’বছর মার্কেটিং এবং সেলস-এ ছিলেন প্রিয়া। তারপর বিয়ে হয়ে যাওয়ায় এবং সন্তান হওয়ার পর আর কেরিয়ারের ব্যাপারে চিন্তা করতে পারেননি তিনি। কিন্তু সবসময়ই কিছু না কিছু করার ইচ্ছে তাঁর ভেতরে ছিল। বিশেষ করে এই ফ্যাশনকে ঘিরেই। এ ব্যাপারে তাঁর স্বামীই তাঁকে প্রথম সাহায্য করেন। একদিন সংবাদপত্রে উল্লিখিত একটি কোর্সের ব্যাপারে প্রিয়াকে জানান তিনি। 


আইসিবিআই’এর এই কোর্সটি ব্যবসার নানা খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে। ‘ইমেজ মেকওভার’ নিয়ে ব্যবসা শুরু করার সময় প্রিয়া দেখেন এই ব্যাপারটি সমাজের কিছু মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাই ‘ম্যাভেনচিক’ তৈরির সময় প্রিয়ার লক্ষ্য ছিল ফ্যাশনের এই দুনিয়াকে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এ ব্যাপার প্রিয়াকে সাহায্য করেন তাঁর ভাই বালচন্দ্র কে ওয়াঘ, যিনি বর্তমানে আবার ‘ম্যাভেনচিক’-এর সিইও।

গত আট মাসে ‘স্টাইল গুরু’ হিসেবে নিজেকে ভালোমতোই প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন প্রিয়া। তার দৌলতেই আজ সারা ভারত জুড়ে অনলাইনে ৩০ জন বিখ্যাত বিশেষজ্ঞ সবসময়ই প্রস্তুত সকলের জন্য। কিন্তু এই মুহূর্তে ‘ম্যাভেনচিক’-এর কাজ মহিলাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ভবিষ্যতে যদিও পুরুষদেরও এর মধ্যে সামিল করার ইচ্ছে রয়েছে প্রিয়ার।