স্টার্টআপ ইন্ডিয়া স্টান্ডআপ ইন্ডিয়ার' মঞ্চে মোদির ধামাকা

0
  • তিন বছর পর্যন্ত কর ছাড়
  • প্রথম তিন বছর কোনও ইন্সপেক্শন হবে না।
  • সংগৃহীত লাভে কর ছাড়
  • ইন্সপেক্টর রাজ থেকে মুক্তি
  • ৯০ দিনেই এক্জিট নিয়ে সংসদে বিল আনার প্রতিশ্রুতি
  • নিজস্ব সম্মতিপত্রকে পূর্ব বিমুক্তিকরণ সাক্ষ্য মেনে লাইসেন্স
  • আগামী চার বছর ১০ হাজার কোটি টাকার স্টার্টআপ ফান্ড ঘোষণা করে শনিবার রীতিমত বিজ্ঞান ভবনে ধামাকা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চা বিক্রেতা মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ের প্রেরণা জাগানো কাহিনি স্মরণ করিয়েই শুরু করেন ভাষণ। শুরুয়াতি ব্যবসায়ীদের মুখের হাসি চওড়া করে একের পর এক দুর্দান্ত ঘোষণায় মুগ্ধ করে দেন মেধাবী শ্রোতৃমণ্ডলীকে। এভাবেই স্টার্টআপ ইন্ডিয়া স্ট্যান্ডআপ ইন্ডিয়ার ক্যাম্পেইনের শুরু করলেন মোদি। 

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় যে কথা বলতে চাইলেন তা হল শুরুয়াতি ব্যবসায়ীর কাজে সরকার ফালতু নাক গলাবে না। অন্তত প্রথম তিন বছর কোনও কর নেওয়া হবে না। মোবাইল অ্যাপের মারফত কোম্পানির রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে। ফলে লাইসেন্স রাজের দীর্ঘদিনের লেগাসি যমুনায় ভাসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন মোদি। এর ফলে দিনাদিনি তৈরি করা যাবে স্টার্টআপ সংস্থা। উদ্যোগপতিকে কোনো ইনকাম ট্যাক্স দিতে হবে না জানানোর পরই হাজার খানেক স্টার্টআপের করতালিতে ফেটে পড়ল হল।

প্রধানমন্ত্রী যে স্টার্টআপ অ্যাকশন প্ল্যান ঘোষণা করলেন, তাতে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় সরকারি খবরদারি কমানোর কথা বলা হয়েছে। তাঁর সরকার জানতে চায় সরকারের কোন কোন কাজে স্টার্টআপদের আপত্তি। 'Minimum government, Maximum governance' স্লোগানের পক্ষপাতী মোদি জানালেন সরকার এক পা পিছিয়ে এলে অনেক কাজ হতে পারে। ভারতে ব্যবসার পরিবেশ আরও সহজ করে তুলতে আগ্রহী তাঁর সরকার। তাঁর আমলেই দেশ World Bank's Ease of Doing Business এর তালিকায় ১৪২ নম্বর থেকে ১৩০ এ উঠে এসেছে।

এদিন তিনি সেলফ সার্টিফিকেশন বেসড সম্মতিপত্রের ঘোষণা করেছেন। এই প্ল্যানের আওতায় শুরুয়াতিরা সরকারি ঝামেলা এড়াতে পারবেন। নিজস্ব সম্মতিপত্রকে পূর্ব বিমুক্তিকরণ সাক্ষ্য মেনে লাইসেন্স পাবেন। একটি ছোট্ট অ্যাপলিকেশন ফর্ম মোবাইলে পূরণ করে একদিনে কোম্পানির রেজিষ্ট্রি করা যাবে।

অন্য সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে তিনি দ্রুত পেটেন্ট পূরণের এক মেকানিসমের ঘোষণা করেন। স্টার্টআপরা ৮০% ছাড় পাবেন। সরকার স্টার্টআপের নিকট ক্রেতা হিসেবে নরম মনোভাব পোষণ করবেন। তবে প্রোডাক্টের মান নিয়ে কোনো সমঝোতা হবে না। এসব শুরুয়াতিদের সুযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া। সবশেষে স্টার্টআপের গুণকীর্তন করে নরেন্দ্র মোদি বললেন, তিনি মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে চান। একজন স্টার্টআপ যদি পাঁচজনের জীবিকার ব্যবস্থা করেন,সেটাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আর্থিক লাভ সেক্ষেত্রে উপরি পাওনা।