Happibo এর আইডিয়া দিয়েছে এক দুধের শিশু

0

এক দুধের শিশুর কাছ থেকেও আপনি মূল্যবান কোনও আইডিয়া পেতে পারেন। আর খুলে ফেলতে পারেন নিজের কোনও সংস্থা। শুনতে অবাক লাগলেও এমনটি সত্যিসত্যি ঘটেছে হর্ষাদা যোশীর ক্ষেত্রে। গৃহবধূ হর্ষাদা তাঁর শিশু সন্তানের জন্মের কিছুদিন পরেই উপলব্ধি করলেন যে, মায়েরা তাঁদের বাচ্চাদের সাধারণত যে ধরনের খাবারদাবার খাইয়ে থাকেন, তা অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাচ্চাদের কাছে রুটিকর হয় না। পরিস্থিতিটা বদলে ফেলতে হর্ষাদা জন্ম দিলেন Happibo নামে বেবিফুডের একটি স্টার্ট আপের।

২০১৫ সালে Happibo –এর জন্ম। বেঙ্গালুরুতে সংস্থার সদর কার্যালয়। বেঙ্গালুরুর FirstCry এবং অন্য আরও কয়েকটি দোকানে Happibo এর ফুড প্রোডাক্ট মিলবে। এছাড়া, সংস্থার নিজস্ব ওয়েব সাইট আছে। অনলাইনে অর্ডার দিলেও চাহিদা মতো জিনিস পৌঁছে যাবে আপনার বাড়িতে।

৩৫ বছর বয়স্ক মহিলা উদ্যোগপতি হর্ষাদা জানিয়েছেন, নিজের স্বপ্ন ছুঁতে কীভাবে গোড়ায় কাজ করেছিলেন তিনি। হর্ষাদার কথায়, আমি এমন কাউকে খুঁজছিলাম যিনি একজন মায়ের মন দিয়ে আমার আইডিয়াটা ধরতে পারবেন। এ সময়েই আমার সঙ্গে আলাপ হয় সত্য পুরকুর্তি ও তাঁর স্ত্রী ভগবতীর। ওঁরা দুজনেই পেশাদার ফুড টেকনোলজিস্ট। আমার আইডিয়াটা ওঁরা শোনামাত্রই লুফে নিয়েছিলেন।

এরপর ২০১৫ সালে সত্য ও ভগবতী Happibo এর সঙ্গে সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে যুক্ত হন। ভগবতী ছিলেন আইআইটি খড়গপুরের প্রাক্তন ছাত্রী। আর সত্য লেখাপড়া করেছেন ব্রিটেনের লিঙ্কন বিশ্ববিদ্যালয়ে।

তিন মাথা একসঙ্গে মেলার পরের চার মাস ধরে চালানো হয়েছে মার্কেট সার্ভে। দেখা গিয়েছে, এ ক্ষেত্রে কাজের বিস্তীর্ণ জায়গা ফাঁকা আছে।  কথাপ্রসঙ্গে হর্ষাদা জানালেন, এ দেশের এক থেকে চার বছর বয়সের ৫০ শতাংশ শিশু পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছে না। এই অভাব পূরণ করাই Happibo এর লক্ষ্য।

হর্ষাদা আরও মনে করেন, কীসে শিশুর পুষ্টি হবে, তা নিয়ে অভিভাবকদের সচেতনতাই হল শেষ কথা। নিজেই যেমন তিনি তাঁর শিশু সন্তানকে স্বাদহীন খাবার-দাবার খেতে দেখে পাল্টানোর কথা ভেবেছিলেন।