ভারতের স্টার্টআপ ট্রেন্ডে আপ্লুত মাইক্রোসফট কর্তা

0

ভারতের স্টার্টআপ স্বপ্ন দেখাচ্ছে উদ্যোক্তাদের। সবচেয়ে বড় কথা স্টার্টআপ কালচার, বিশেষ করে ই-কমার্সে স্টার্টআপ দারুণ উৎসাহব্যঞ্জক। মাইক্রোসফট চিফ সত্য নাদেল্লা বলেন, স্মার্ট সিটিগুলিতে নতুন প্রজন্মের শ খানেক স্টার্টআপে বিনিয়োগ করছেন টেক জায়েন্টরা। দেশে মাইক্রোসফটের সবচেয়ে বড় কাস্টমার কনফারেন্স ‘ফিউচার আনল্যাশড, অ্যাক্সেলেরেটিং ইন্ডিয়া’য় বক্তৃতা দিতে গিয়ে হায়দরাবাদি নাদেল্লা জাস্টডায়েল, পেটিএম এবং স্ন্যাপডিলের সঙ্গে নতুন পার্টনারশিপের কথা ঘোষণা করেন।

এই পার্টনারশিপে মাইক্রোসফট স্মার্টসিটির স্টার্টআপগুলির জন্য বিশেষ ক্লাউড অফার করে। তাছাড়া বিভিন্ন ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস যেমন মাইক্রোসফট লুমিয়া ৯৫০ এবং ৯৫০ এক্সএল, তাছাড়া মাইক্রোসফট সারফেস প্রো ফোর যথাক্রমে ডিসেম্বর এবং জানুয়ারিতে প্রকাশিত হবে। এই ইভেন্টেই সংস্থা সারফেস প্রো ফোর শোকেস করে। যার দাম পড়বে ৭৫,০০০ থেকে তার ওপরে।

স্মার্টসিটিগুলির ক্ষমতায়নে নতুন ক্লাউড স্টার্টআপ প্রকাশ করে নাদেল্লা বলেন, মাল্টিন্যাশনাল কর্পোরেশন ক্ষেত্রে দেশে এটাই প্রথম, এক বছরের জন্য ক্লাউড দেওয়া হচ্ছে। মাইক্রোসফট জাস্টডায়েল, পেটিএম এবং স্ন্যাপডিলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে এবং কৃষি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা ছাড়াও অন্যদের স্মার্টসিটির উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। ‘মাইক্রোসফটে আমরা সবসময় চাই, সমস্ত ভারতীয়, সব ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে আরও বেশি করে ক্ষমতায়নের মধ্যে নিয়ে আসতে। বিশ্বের বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিতে আমাদের ক্লাউড এবং সারফেস প্রো ফোরের মাধ্যমে গ্রাহক তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী ডিজিটাল টেকনোলজি ব্যবহার করেন’, ফিউচার আনলেশে বলেন নাদেল্লা, যিনি দিনে ৫ কিলোমিটার দৌড়ান এবং উইকএন্ডে ১০টি বই পড়ে শেষ করেন।

মাত্র এক বছর আগে পুনে, মুম্বই এবং চেন্নাইয়ে তিনটি ডাটাসেন্টার খোলে মাইক্রোসফট। তিনি জানান, তখন থেকে দেশে ক্লাউড কম্পিউটিং তাঁকে যথেষ্ট আশাবাদী করেছে। ই-কমার্স এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের বৃদ্ধির গতি নিয়ে বলতে গিয়ে তাঁর অভিব্যক্তি ‘মাইন্ডব্লগিং’! নাদেল্লা বলেন, মাইক্রোসফট যেহেতু অধিগ্রহণ করে না তাই, ভ্যালুয়েশন নিয়ে তিনি ততটা চিন্তিত নন। তবে উদ্যোক্তাদের আইডিয়ার মান নিয়ে তিনি বেশ সচেতন।

গ্রাহকদের আরও ভালো পরিষেবা দিতে জাস্টাডায়াল এবং মাইক্রোসফট বিং এবং ক্লাউড ভিত্তিক অ্যানালিটিকস ব্যবহার করে, যেখানে পেটিএম এবং মাইক্রোসফট পার্টনারশিপের তিনটি কোর এরিয়ায় কাজ করে। লক্ষ্য হল বিভিন্ন বিল এবং সহজে মোবাইলে লেনদেনের জন্য পেটিএম অ্যাপ এবং পেটিএম ওয়ালেট কাজে লাগানো।

পেটিএমও অ্যাকাউন্ট সামালানো থেকে পণ্যের তালিকার জন্য জাস্টডায়েল অফিস ৩৬৫ ব্যবহার করে। সব শেষে, পেটিএম নিজেদের মার্চেন্ট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মাইক্রোসফট সার্ভিস সেলস পরিচালনা করে। ডিজিটাল অটোমোটিভ ডিলারশিপ তৈরির জন্য স্ন্যাপডিল মাইক্রোসফট ক্লাউড প্ল্যাটফর্মে কাজ করে। গ্রাহক কিছু কিনবেন স্থির করলেই ডিজিটাল অটমোটিভ ডিলারশিপও পালটে যায়। গ্রাহকদের জন্য নতুন মঞ্চ দিতে স্ন্যাপডিল এবং মাইক্রোসফট স্কাইপ, বিং এবং কোরটানা ব্যবহার করবে।