"paperless" পার্লামেন্ট বাঁচাবে গাছের প্রাণ

0

লোকসভার স্পীকার সুমিত্রা মহাজন জানালেন পার্লামেন্টকে তাঁরা একটি “paperless institution”-এ পরিণত করার প্রচেষ্টায় আছেন। পার্লামেন্টের ডিজিটাইজেশান বাঁচিয়ে দেবে প্রায় ১০০০টি গাছের প্রাণ। তিনি একথাও বলেছেন, সভায় অধিবেশন চলাকালীন বিভিন্ন কমিটির রিপোর্ট পেপার টেবিলে টেবিলে পেশ করার নীতিতেও আসবে পরিবর্তন। ইতিমধ্যেই কমিয়ে ফেলা হয়েছে কাগজে রিপোর্ট পেশ। নয়া দিল্লির পার্লামেন্ট লাইব্রেরী ঘুরে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি জানালেন, বাজেট ডকুমেন্টের হার্ডকপির পরিমাণ ৩৫ শতাংশ কমানো গেছে।

১৯৪ লাখ A-4 সাইজের পেপার দিয়ে প্রায় ৪০,০০০ রিম কাগজ তৈরি হয় পার্লামেন্টে ব্যবহারের জন্য। পার্লামেন্টের পক্ষে কাগজের ব্যবহার বন্ধ করে বছরে কাগজ তৈরির এই ৮০ লাখ টাকা বাঁচানো সম্ভব। একটি গাছ কাটা হয় আর তৈরি হয় ২০,০০০ কাগজের পৃষ্ঠা। আমরা পরিবেশদূষণ এবং "গাছ বাঁচাও" এর পরিকল্পনা নিয়ে ভাবিত। সুমিত্রা মহাজন পার্লামেন্টকে একটি “paperless institution” বানাতে সবার সহযোগিতা প্রার্থনা করেছেন।

স্পীকার লোকসভার সদস্যদের জন্য একটি ওয়েব পোর্টাল লঞ্চ করেছেন। অনলাইনে বিভিন্ন নোটিশ জমা করার কাজ সহজতর করবে এই পোর্টাল। এতদিন ধরে যে প্রথাগত পদ্ধতি মেনে সদস্যদের নোটিশ জানানো হত তাও বহাল থাকবে। পোর্টালটি সম্পর্কে আরও বিশদে জানিয়ে স্পীকার বলেন, প্রত্যেক লোকসভা সদস্যের লগইন পাসওয়ার্ড আলাদা হবে। সদস্যরা নিজেদের এবং সেক্রেটারিয়েটের শাখাগুলির মধ্যে মেসেজ আর ই-মেল মারফৎ যোগাযোগ করতে পারবেন। পোর্টালটি সদস্যদের বিল সংক্রান্ত নথি, কমিটির মিটিং এর সময়সূচী, নানান রিপোর্ট, অ্যাজেন্ডা আরও অন্যান্য পার্লামেন্ট সংক্রান্ত তথ্য জানাবে। A Member's Reference Service Interface সিস্টেমও চালু করা হয়েছে। সদস্যরা এখানে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর রেফারেন্স মেটিরিয়ালের অনুরোধ জানাতে পারবেন। আর কাগজে নয়, এবার থেকে সদস্যরা মেটিরিয়াল পাবেন ইলেকট্রনিক্যালি।

(TCI)