বাংলার স্টার্টআপদের নিজস্ব মঞ্চ ইওরস্টোরির রাউন্ডটেবল

0

23 জানুয়ারি। কলকাতার আইসিসিআর-এ হয়ে গেল বাংলা ইওরস্টোরির প্রথম রাউন্ড টেবল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্টার্টআপ ইন্ডিয়া স্ট্যান্ডআপ ইন্ডিয়া ক্যাম্পেইন ভারতীয় স্টার্টআপ কমিউনিটিকে চলৎশক্তি দেওয়ার একটা অবকাশ দিয়েছে। করছাড় থেকে শুরু করে বিনিয়োগে প্রেরণা জোগানো সব উপাদানই ছিল প্রধানমন্ত্রী মোদির প্যাকেজে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারও স্টার্টআপ প্লাবনের স্বপ্নে বিভোর। বেঙ্গল গ্লোবাল সামিটের মঞ্চ থেকে আন্তরিক ভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন বাংলা থেকে বেঙ্গালুরুতে চলে যাওয়া বাঙালি মেধা ফিরিয়ে আনতে তিনি যেকোনও সহযোগিতা করতে তৈরি। দেশের স্টার্টআপ মুভমেন্টের পুরোধা মোহনদাস পাইকে এ বিষয়ে বিশেষ দায়িত্বও দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। শোনা যাচ্ছে সে কাজ শুরুও করে দিয়েছেন মোহনদাস পাই। তৈরি হয়েছে রাজ্যের নিজস্ব স্টার্টআপ অ্যাকশন প্ল্যান। আরও বিশ্লেষণ এবং সংযোজন চলছে সেই অ্যাকশন প্ল্যানে। লক্ষ্যমাত্রা স্থির হয়েছে। আগামী ৫ বছরে ১০ হাজার স্টার্টআপ মাথা তুলবে পশ্চিমবঙ্গ থেকেই। তৈরি হবে ৫০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ। এত উচ্চাকাঙ্খী প্রোজেকশন। কলকাতা তৈরি তো! সেটা জানতেই বাংলা ইওরস্টোরি আয়োজন করেছিল প্রথম রাউন্ড টেবল। উপস্থিত ছিলেন ২০ টি স্টার্টআপ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা কর্ণধার। আলোচনায় অংশ নেন বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের সেক্রেটারি শিল্পকর্তা সুপর্ণ মৈত্র। তরুণ উদ্যোগপতি অভিজিত দাস, বিবেক শাহ, সুদীপ মুখোপাধ্যায়, শুভাশিস চট্টোপাধ্য়ায়, রণদীপ সাহা, অঙ্কিত অগরওয়াল, জয় পানসারি, প্রান্তিক সিনহা, গার্গী ভট্টাচার্য, সিদ্ধার্থ সিং, বিকাশ বিশ্বকর্মা, প্রমুখ। ইওরস্টোরি বাংলার তরুণ লেখক লেখিকাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঋত্বিক দাস, সুজয় দাস, নভজিত গাঙ্গুলি, এষা গোস্বামী, কুশল চক্রবর্তী, ঋষিরাজ বোস। এসেছিলেন অসমিয়া ইওর স্টোরির প্রধান ঋদ্ধীশ চক্রবর্তী, ইওরস্টোরি ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং এডিটর অরবিন্দ যাদব এবং বাংলা ইওরস্টোরির প্রধান হিন্দোল গোস্বামী।

পশ্চিমবঙ্গে উদ্যোগের নানা দিক নিয়ে এদিনের আলোচনায় প্রাধান্য পেয়েছে স্টার্টআপগুলির বিকাশের নানা সম্ভাবনা। উঠে এসেছে নতুন নতুন আইডিয়া। বিনিয়োগের নানা অন্তরায় এবং তা অতিক্রম করার উপায়গুলিও।

রাজ্যের স্টার্টআপগুলির বিকাশের অন্যতম প্রধান সহায়ক হিসেবে ইওরস্টোরি বাংলা নিয়মিত এরকম আলোচনা চক্রের আয়োজন করতে বদ্ধপরিকর। যেটা খুব শিগগিরই হয়ে উঠবে বাংলার স্টার্টআপগুলির নিজস্ব মঞ্চ।