মার্কিন পোস্টঅফিসের দৌলতে এসেছে ধোঁয়ার পোশাক

0

দেখে মনে হতে পারে দৃষ্টিভ্রম। আসলে এ এক আসন্ন প্রযুক্তি। ২০১৩ সালে প্রথম দেখেছিল বিশ্ব। ধোঁয়ার পোশাক। একটি জার্মান গাড়ির বিজ্ঞাপনে প্রথম ফুটে উঠেছিল ধোঁয়ার পোশাকে লাস্যময়ী নারীর মূর্তি। জানা যায় মার্কিন পোস্টাল সিস্টেম ইউএসপিএস এই ফ্যাশন ব্র্যান্ডের পিছনে রয়েছে। বাকোনাহ গ্রুপের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে ধূম্র পোশাকের ব্র্যান্ডিং করছে খোদ মার্কিন পোস্টাল ব্যবস্থা। বাকোনহার সিইও আইজাক ক্রফোর্ড বলছেন যেকোনও আবহাওয়ার জন্যেই এধরণের পোশাক দারুণ মানানসই। গরমে, বৃষ্টিতে কিংবা শীতে এই পোশাক পরা যাবে। ফলে দুনিয়ার যেকোনও প্রান্তেই এই ফ্যাশন-টেক সংস্থা দারুণ সাফল্য পেতে পারে। ফলে জল্পনা তুঙ্গে,

এবার এদেশেও শুরু হতে চলেছে কি এই ধরণের পোশাক বানানোর কাজ। ফ্যাশন শোতে এরকম ধূম্র-পোশাক দেখার সৌভাগ্য হয়ে থাকলেও এখনও বাণিজ্যিক বাস্তবতা দেখতে পায়নি এই ধূম্র-পোশাক। পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। ফিল্মে, মিউজিক অ্যালবামে এই ধরণের ধূম্র পোশাক ব্যবহার করা যায় কিনা তাই নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি, বলিউডও। অপেক্ষা করুন ভবিষ্যতের এই পোশাক আপনার পড়শিও কিনবে... বিয়ে বাড়ি, পার্টিতে ধোঁয়ার মেদুর আস্তরণ ছড়িয়ে দিতে তৈরি হচ্ছে ফ্যাশন দুনিয়া।