সিন্ধু সভ্যতার রুপোলি উপহার

1

পি ভি সিন্ধু আপামর ভারতীয় গলা ফাটানোর জন্যে এই নামটাকে এতদিন ব্যবহারই করেননি। গৌতম গম্ভীর কিংবা সুরেশ রায়নাদের জন্যে যে পরিমাণ উৎসাহ দেখা গেছে তার বিন্দু বিসর্গও দেখা যায়নি পিভি সিন্ধুর খেলার জন্যে। আদতে অধিকাংশ মানুষই চিনতেন না সিন্ধুকে। ফাইনালে যাওয়ার পর থেকেই সিন্ধু ভারতে প্রাইমা ডোনা। পাড়ায় চায়ের ঠেক থেকে শুরু করে এমনকি রাস্তার রিক্সাচালক ভাই সবার মুখেই সিন্ধুর নাম। খোদ বিগ বি থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সকলেই সিন্ধুকে শুভেচ্ছার প্লাবনে ভাসিয়ে দিয়েছেন। শোভা দের মুখে রীতিমত ঝামা ঘষে এবার রুপোর মেডেল গলায় পড়ে সেলফি তুলবেন সিন্ধু। অমিতাভ বচ্চন চান সিন্ধুর সঙ্গে একটা যুগল তসবির থাক। এমনই সেলিব্রিটি আজ পি ভি সিন্ধু।

সিন্ধু রুপোয় সন্তুষ্ট হওয়ার মেয়ে নন সেটা আজকের ওর খেলা দেখেই টের পাওয়া গেছে। একেই বলে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই প্রতিপক্ষ দুর্দান্ত ফর্মে। কেউ কেউ বলেন ক্যারলিনা মারিনা মেয়েদের ব্যাডমিন্টনের নাদাল। তবে সিন্ধুর সেসবে ভ্রূক্ষেপ করেননি। কারণ তাঁর কাছে সোনাটাই বেশি চকচক করছিল। এবং সোনার জন্যেই লড়ছিলেন। হন্যে হয়ে খেলেছিলেন। সিন্ধু চেষ্টা করেছিলেন জান প্রাণ লড়িয়ে দেওয়ার। প্রথম সেটে এগিয়ে থেকেও ফাইনালি পিছিয়ে গেলেন সিন্ধু। ঘুরে দাঁড়ানোর মত পরিস্থিতিও তৈরি করে ফেলেছিলেন হায়দরাবাদি এই সুপারস্টার। ক্যারোলিনা মারিনের দুর্ধর্ষ স্পেলের সামনে আসলে জিতে গেল ব্যাডমিন্টন। তবুও সিন্ধুর জন্যে গর্বিত আসমুদ্র হিমাচল।