ক্যানাবিস চাষে উৎসাহ জোগায় বম্বে হেম্প

0

কৃষকদের স্বার্থে কাজ করে থাকে সংস্থাটি। সংস্থার নাম বম্বে হেম্প কম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড। এই সংস্থা ক্যানাবিসের চাষে উত্সাহ জোগানো ও প্রয়োজনীয় সহায়তা জোগানোর কাজটি করে থাকে। কেন্দ্রীয় সরকার ও দেশের বিভিন্ন রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করে বম্বে হেম্প।

সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ক্যানাবিস চাষ করিয়ে চাষিদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি ঘটানো যেতে পারে। বিশেষত ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগে ক্যানাবিস। সংস্থার তরফে আরও জানানো হয়েছে, ক্যানাবিস চাষের পদ্ধতি নিয়ে কৃষকদের সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও করা হয়ে থাকে। এছাড়াও ফলন সম্পর্কিত বিষয়গুলি নিয়ে দরকারি পরামর্শ দেওয়া হয়। চাষের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো জাতের বীজ দিয়ে ক্যানাবিসের ফলন করানো হয়।

বম্বে হেম্প প্রাইভেট লিমিটেডের এও তরফে জানানো হয়েছে, সারা দেশেই এক্ষেত্রে দরিদ্র অবস্থায় থাকা কৃষকদের নিয়ে তাঁরা কাজ করতে চাইছেন। দারিদ্রসীমার নীচে থাকা ওই কৃষকেরা ক্যানাবিস চাষ করে নিজেদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটাতে পারেন। কেননা এটি এক সম্ভাবনাপূর্ণ ক্ষেত্র।

জানা গিয়েছে, ওষুধপত্র তৈরি ছাড়াও ক্যানাবিস বেসড প্রোডাক্ট ব্যবহার করা হয়ে থাকে অন্য বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রেও। প্রসঙ্গত, গত তিন বছর ধরে এই সংস্থাটি কাজ করছে নারকোটিক কন্ট্রোল ব্যুরো এবং রাজস্ব দফতরের সঙ্গে। এর পাশাপাশি বম্বে হেম্প প্রাইভেট লিমিটেড ন্যাশনাল বোটানিক্যাল রিসার্চ ইন্সটিটিউটের সঙ্গেও যৌথভাবে ক্যানাবিসের চাষের ক্ষেত্রে নেওয়া প্রকল্প রূপায়িত করছে বলে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে। সেইসঙ্গে জোরকদমে চলছে গবেষণার কাজ।

এছাড়া, হস্তশিল্পীদের নিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে দেশের উত্তরের রাজ্যগুলিতে। গোটা উত্তরাখণ্ডেই এ সম্পর্কিত প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। উত্তরাখণ্ডে কাজ চলছে নন্দা দেবী হ্যান্ডলুম ও হেরিটেজ সেন্টার ফর এক্সেলেন্সের সঙ্গে। এটি আলমোড়ায় অবস্থিত সংস্থা। সেইসঙ্গে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে মহিলা হল্তশিল্পীদের আর্থিক পরিস্থিতির উন্নয়নের দিকটিতেও।